ইপেপার / প্রিন্ট
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আগে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ছিলেন ইংল্যান্ডের ১৮ ফুটবলার। কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলেই সেমিফাইনালে মাঠের বাইরে থাকতে হতো তাদের। সেই তালিকায় ছিলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামও।
তবে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি হলুদ কার্ড এড়িয়ে বড় স্বস্তি পেয়েছেন বেলিংহ্যাম। ম্যাচে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি এবং দলের হয়ে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ নিশ্চিত করেন।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে বেলিংহ্যামকে বড় ভূমিকা রাখতে হয়েছে তার মা ডেনিস বেলিংহ্যামের পরামর্শে।
শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে হলুদ কার্ড দেখার পর থেকেই বেলিংহ্যামকে সতর্ক করে আসছিলেন তার মা। কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে ইংল্যান্ডের এই তারকা বলেন, “পুরো সপ্তাহ ধরে আমার মা আমাকে নিজের ভাষা, প্রতিপক্ষকে ট্যাকল করা, মুখভঙ্গি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সতর্ক করে আসছিলেন। হলুদ কার্ড এড়ানোর বিষয়টি তিনি আমার মাথায় ভালোভাবে গেঁথে দিয়েছিলেন।”
বেলিংহ্যাম এ ক্ষেত্রে ম্যাচ রেফারিরও প্রশংসা করেন। তার মতে, সঠিকভাবে খেললে এবং সম্মানজনকভাবে রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনও বেলিংহ্যামের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দলের পারফরম্যান্স সেরা না হলেও জয়ের পথ খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেলিংহ্যামের দুটি গোলই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার ইলিয়ট অ্যান্ডারসনও বেলিংহ্যামের গোল করার দক্ষতায় মুগ্ধ। তিনি বলেন, “সে কীভাবে প্রতিবার সঠিক জায়গায় পৌঁছে যায়, সেটি বিশাল এক দক্ষতা। সে অসাধারণ।”
এখন বেলিংহ্যামের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ—সেমিফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডকে ফাইনালে তোলার লড়াই।