ইপেপার / প্রিন্ট
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাওয়ার পর আজ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। যদিও শিরোপার লড়াই থেকে ছিটকে পড়ায় দুই দলের কাছেই ম্যাচটি কিছুটা হতাশার, তবে ব্যক্তিগত অর্জনের দৌড়ে এটি হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ এক লড়াই। আর সেই আলোচনার কেন্দ্রেই রয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৩টায় মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ম্যাচে সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসির নাম জড়িয়ে থাকায় আলোচনায় রয়েছেন তিনি।
বর্তমানে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ৮ গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তবে মেসির সামনে ফাইনালে আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ থাকছে এমবাপের। ফলে এই ম্যাচে গোল করতে পারলে এককভাবে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারেন ফরাসি তারকা।
এদিকে ৬ গোল করে এখনও লড়াইয়ে রয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। তাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি শুধু মর্যাদার লড়াই নয়, ব্যক্তিগত সাফল্যের হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ম্যাচে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে এমবাপে বনাম ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের লড়াই। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে নিজের গতি ও দুর্দান্ত ফিনিশিং দিয়ে নজর কাড়া এমবাপেকে আটকানো ইংলিশ ডিফেন্ডারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডও আশাবাদী হ্যারি কেইনের অভিজ্ঞতা এবং জুড বেলিংহামের আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়ে। দলীয় হতাশা কাটিয়ে শেষ ম্যাচে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করতে চাইবে দুই দলই।
বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের এটি হবে চতুর্থবারের মতো মুখোমুখি হওয়া। এর আগে তিন দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে দুইবার, আর ফ্রান্স জয় পেয়েছে একবার। ১৯৬৬ ও ১৯৮২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের জয়ের পর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলের জয়ে প্রতিশোধ নেয় ফ্রান্স।