বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় ছয়টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই রুটে চলাচল করা সাতটি ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। প্রতিটি ট্রেনের সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা
ঈদের বাকি আর মাত্র দুইদিন। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনটির রাজশাহী ও পঞ্চগড় উভয় প্রান্তের যাত্রা বাতিল করা হয়। এদিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি
মাদারীপুরে যাত্রীবাহী ও তরমুজ বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার তাঁতীবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের অদূরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুতির ঘটনায় উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় চাঁদপুর নামক স্থানে নসিমন ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন নসিমনচালক সাব্বির হোসেন। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
বগুড়ার সান্তাহার বাগবাড়ী এলাকায় চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার ২১ ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান শেষে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টা ২০
পবিত্র ঈদুল ফিতরে আপনজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। এই ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনে ফাঁকা দেখা গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মহাসড়কের
ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বুধবার (১৮ মার্চ)
এবারও উপমহাদেশসহ দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাতকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তায় চার স্তরের নিরাপত্তা