1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
২০৪০ সালের লক্ষ্য ৫.৫৭ কোটি পর্যটক ও ২.১৯ কোটি কর্মসংস্থান: মেগা পরিকল্পনায় সরকার - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস

২০৪০ সালের লক্ষ্য ৫.৫৭ কোটি পর্যটক ও ২.১৯ কোটি কর্মসংস্থান: মেগা পরিকল্পনায় সরকার

প্রতিনিধি

দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিতে একটি ‘মেগা পরিকল্পনা’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনার আওতায় ২০৪০ সালের মধ্যে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং প্রায় ২ কোটি ১৯ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০২৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান’ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে বিনিয়োগ ও উন্নয়নের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ থাকবে।

তিনি আরও জানান, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নীতিগত সহায়তা, স্বল্প সুদের ঋণ এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটন খাতে অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পর্যটন খাতে সহজ অর্থায়নের সুযোগ ইতোমধ্যে চালু আছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও বাড়ানো হবে।

দক্ষ জনবল গঠনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। ২০২১-২২ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত হাজার হাজার ট্যুর গাইড, ট্যুর অপারেটর, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা ও পর্যটন স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষ পর্যটন খাতে কর্মরত রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ৭২ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজার, কুয়াকাটা ও উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো ও ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নে কাজ চলছে। একইসঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে যুক্ত করে কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নারী অংশগ্রহণ বাড়াতে পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নারী-বান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগও চলছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, উৎসব ও হস্তশিল্পকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বড় বিনিয়োগ আকর্ষণে কক্সবাজারের সাবরাং এলাকায় এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন গড়ে তোলার উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সরকারি জমিতে নতুন পর্যটন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও সংসদে তুলে ধরেন মন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!