ইপেপার / প্রিন্ট
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব নিয়মিত জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও ছিনতাইকারীসহ ডাকাতির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে। র্যাবের এই অভিযানিক কার্যক্রম ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
গতকাল ০৮ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক বিকাল ১৭:১০ ঘটিকায় র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোলাপবাগ এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে রাজধানী ঢাকার দক্ষিণখান থানার জিআর নং-১৭(১১)১৮, ধারা-১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৩(খ); মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদÐে দÐিত ও ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা অর্থদÐ এবং অনাদায়ে আরো ০৬ (ছয়) মাসের কারাদÐে দÐিত সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামী মোঃ সেলিম (৩৩), পিতা-মোঃ নুরু মিয়া, সাং-ভিংলাবাড়ী, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’কে গ্রেফতার করে।
এছাড়া একই তারিখ আনুমানিক রাত ২০:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১০ এর অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন চুনকুটিয়া এলাকায় অপর একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে পাবনা জেলার সদর থানার জিআর নং-১৭০/০১, ধারা-৩৯৯/৪০২ দন্ডবিধি-১৮৬০; ডাকাতি মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামী মোঃ টিটু খন্দকার (৩৯), পিতা-মৃত সৈয়দ আলী খন্দকার, সাং-কাদিরাবাদ, থানা-মেহেন্দীগঞ্জ, জেলা-বরিশাল’কে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃত আসামীরা উল্লেখিত মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী বলে স্বীকার করেছে। তারা উভয়ই মামলা রুজুর পর বিভিন্ন সময় বিজ্ঞ আদালত হতে জামিন নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।