1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
নদীভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের বাসিন্দারা - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কালিয়াকৈরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত অন্তত ১০ ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে পুতিনকে সহায়তার প্রস্তাব ট্রাম্পের স্পেনে নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় ৬ লাখের বেশি অভিবাসীর কর্মসংস্থান, আবেদন ১১ লাখ ছাড়িয়েছে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে তিন তারকার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা, হলুদ কার্ড এড়ানোর বড় চ্যালেঞ্জ টঙ্গীতে তুরাগ নদে গোসলে নেমে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নরওয়ের বিপক্ষে কি খেলবেন নেইমার? ইঙ্গিত দিলেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি নরওয়ের বিপক্ষে ইতিহাস বদলের লড়াইয়ে আজ ব্রাজিল, লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষ, সরকারি বাহিনীর ১৫ সেনা নিহত ৪ বছর ধরে অন্ধকারে ভোলার মদনপুর, সাবমেরিন কেবল ছিঁড়ে বিদ্যুৎহীন ২০ হাজার মানুষ নিউইয়র্কে স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ

নদীভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের বাসিন্দারা

প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের তিস্তা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কিছুটা কমলেও ধরলা নদীতে তা অব্যাহত আছে। এছাড়া গত এক সপ্তাহের নদ-নদীর ভাঙনে অসংখ্য পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। নদীতে চলে গেছে কয়েক একর ফসলি জমিও। সব হারিয়ে অনেকে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করলেও কোনো সহায়তা পাননি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর, ব্যাপারি পাড়া, সরকার পাড়া ও মাঝি পাড়া এলাকায় ধরলা নদীর ৫-৬ কিলোমিটার এলাকার বাম তীরে ভাঙন অব্যাহত আছে। হুমকিতে থাকা পরিবারগুলো তাদের বাড়ি-ঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়াও এ ইউনিয়নের একটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের একাংশ ধরলা নদীতে চলে গেছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্যাপারি পাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু মিয়া বলেন, আমার গ্রামটি অনেক পুরাতন। কয়েকদিনের ভাঙনে গ্রামটির কিছু অংশ ধরলা নদীতে চলে গেছে। সবকিছু হারিয়ে অনেক কষ্টে আছি। সহযোগিতা তো দূরের কথা, কেউ দেখতেও আসনি।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. বাবলু মিয়া বলেন, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে আমার ইউনিয়নের তিন ভাগের দুই ভাগ নদীতে চলে গেছে। গত ১০-১১ বছর ধরেই নদী ভাঙছে। এখানে স্থানীয়ভাবে ভাঙন রোধ করা না গেলে কোনো একদিন হয়ত পুরো ইউনিয়নটি নদীতে চলে যাবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, সরকারি স্থাপনা ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ৪-৫টি স্পটে আমাদের কাজ চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!