1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
যত মাটির ঘর ছিল সব শেষ’ পানির ধাক্কায় - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কালিয়াকৈরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত অন্তত ১০ ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে পুতিনকে সহায়তার প্রস্তাব ট্রাম্পের স্পেনে নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় ৬ লাখের বেশি অভিবাসীর কর্মসংস্থান, আবেদন ১১ লাখ ছাড়িয়েছে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে তিন তারকার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা, হলুদ কার্ড এড়ানোর বড় চ্যালেঞ্জ টঙ্গীতে তুরাগ নদে গোসলে নেমে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নরওয়ের বিপক্ষে কি খেলবেন নেইমার? ইঙ্গিত দিলেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি নরওয়ের বিপক্ষে ইতিহাস বদলের লড়াইয়ে আজ ব্রাজিল, লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষ, সরকারি বাহিনীর ১৫ সেনা নিহত ৪ বছর ধরে অন্ধকারে ভোলার মদনপুর, সাবমেরিন কেবল ছিঁড়ে বিদ্যুৎহীন ২০ হাজার মানুষ নিউইয়র্কে স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ

যত মাটির ঘর ছিল সব শেষ’ পানির ধাক্কায়

প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বনকালি বাগপাড়া মরিয়ম নগর মিশন এলাকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা মিথিলা। নিজের পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই এখন নেই তার।

টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সব কিছু শেষ হয়ে গেছে তার। ৪ অক্টোবর সকালে পাহাড়ি ঢলে মাটির ঘরের নিচে চাপা পড়েন মিথিলা। কোনোমতে বেঁচে বের হয়েছেন।

টানা বৃষ্টিতে ৪ অক্টোবর ভোর থেকেই শেরপুর ঝিনাইগাতী উপজেলায় মহারশী নদীর অনেক জায়গায় ভাঙনের দেখা দেয়। এছাড়া ঝিনাইগাতীতে স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে অনেক মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে ও ডুবে গেছে।

এই ইউনিয়নের বনকালি বাগপাড়া মরিয়ম নগর মিশন এলাকার গারো পাড়ায় সবার মাটির ঘর ভেঙে গেছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) পানি কমে যাওয়ায় ভেসে উঠছে ক্ষতির চিহ্ন।

মিথিলা বলেন, আমার জীবনে এত পানি দেখি নাই। রাতে বৃষ্টি হচ্ছিল অল্প পরিমাণে পানি ছিল উঠানে। সকালের দিকে পানি আমার গলা পর্যন্ত। মাটির ঘর ভেঙে পড়ে আমার ওপর। ঘর থেকে যে কাপড় বের করব কোনো উপায় পাইনি। নিজের পরনের কাপড় ছাড়া এখন আর কিছুই নেই। খাব কী, থাকব কোথায় এটাও জানি না। আমার জীবনে এত পানি আমি দেখিনি ভাইগো। আমরা গরিব মানুষ ভাইগো, এত কষ্ট আমরা কোনো দিন করিনি। ঘর-বাড়ি ভাঙা গেছে আমরা কী করি ভাইগো।

একই অবস্থা রুবেলের। তার সবজি বাগান, ঘরবাড়ি সব শেষ। পাহাড়ি ঢল সব কিছু নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, পানির এক ধাক্কায় এই গ্রামের যত মাটির ঘর ছিল সব শেষ হয়ে গেছে। এক গলা পর্যন্ত পানি আমাদের ঘরে ছিল। এরকম পানি কোনোদিন দেখি নাই। আমাদের এই এলাকার মানুষের সব কিছু শেষ করে দিছে। এই পাড়ার সবার মাটির ঘর বিলীন হয়ে গেছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, যাদের মাটির ঘর ভেঙে গেছে তাদের বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক স্যারের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাদের ওখান থেকে চিঠি আসার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!