1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি করে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়েই আশংকা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ধান কাটার সময় ক্ষেতেই কুপিয়ে হত্যা করেছে বোনজামাই ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট, গুলিবিদ্ধ ২ সাভারের আশুলিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মরদেহ পেয়েছে বিদেশ ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করত রফিকুল ইসলাম নিউটন পাবনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ৫০ জোড়া তরুণ তরুণীর যৌতুকবিহীন বিয়ে কিশোরগঞ্জে কলা ভাগাভাগি নিয়ে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত আশুলিয়ায় সহকর্মীর ঘুষিতে প্রাণ গেল যুবকের  রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ঝোপঝাড় থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার

বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি করে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে

অনলাইন ডেস্ক :

বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি করে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তাররা হলেন- জয়নাল আবেদীন ওরফে ইদ্রিস (৪২), নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী পল্লব দাস (৩৬), রফিকুল ইসলাম খাঁন (৩৮) ও আলিফ হোসেন (২০)। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ডিবির নিজ কার্যালয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। হারুন বলেন, এই প্রতারক জয়নালের এক সময় কিছুই ছিল না। তিনি ইমিটেশন পণ্যের দোকান করতেন।

কিন্তু সেই ব্যবসায় লস করে তিনি ব্যবসা ছাড়েন। এরপর জড়িয়ে পড়েন প্রতারণায়। জয়নাল তার প্রতারণার জন্য একটি কোম্পানি খুলে সেখান থেকে আরও সাতটি কোম্পানির নামে কাগজপত্র তৈরি করে রেখেছিলেন। পরে সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের দিয়ে ঋণ নিতেন। আমরা তাকেসহ পল্লব দাসকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করব। এছাড়া তারা আর কতটি ব্যাংক থেকে এমন ঋণ নিয়েছেন তা আমরা খতিয়ে দেখবো। তাদের সঙ্গে যদি কেউ জড়িত থাকে তাদেরও আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তিনি বলেন, পল্লব জাল এনআইডি বানিয়ে দিতেন। পরে এসব এনআইডি দিয়ে ব্যাংক লোন নেওয়া হতো।

তবে এই পল্লব এনআইডি বানিয়ে দিয়ে কত টাকা কামিয়েছেন এবং তার অর্থ সম্পদ করেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখবে ডিবি। ডিবি বলছে, জয়নালের কার্যকর ১০টি এনআইডি ছিল। এসব এনআইডি দিয়ে সে বিভিন্ন ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করতো। ‍এনআইডির নাম ও ঠিকানা ঠিক থাকতো শুধু সে সেটির নম্বর পরিবর্তন করে আরেকটি তৈরি করতো। পল্লব দাস যে অফিসে চাকরি করতো সেই অফিসারের ব্যবহৃত সার্ভারের পাসওয়ার্ড তার কাছ থাকতো এই সুবাদে সে এসব ভুয়া কার্যকর এনআইডি করত।

ডিবির হারুন বলেন, জয়নাল তার এনআইডি দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন নামে শুধু নম্বরগুলো পরিবর্তন করে আরেকটা এনআইডি বানাতো। এজন্য কোনোটাতে সে দাড়িসহ ছবি দিতো। আবার কোনোটাতে গোঁফ, কোনটা দাড়ি গোঁফ ছাড়া থাকতো। কোনোটা দুই বছর আগের আবার কোনটা পরের। একই জমি, একই ফ্ল্যাট ও একই অফিস দেখিয়ে ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করত জয়নাল। কিছু ব্যাংক থেকে তিনি ঋণ নিয়েছিলেন আবার কিছু ব্যাংক থেকে তার ঋণ প্যান্ডিং অবস্থায় ছিল। প্যান্ডিং এমন ঋণের পরিমাণ ৫০ কোটির টাকার কম নয়। একই এনআইডি ও ভুয়া দলিল দিয়ে জয়নাল একই নামে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ তুলেছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট