ইপেপার / প্রিন্ট
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাজারে বেশকিছু দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার উপজেলার লারমা স্কয়ার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে পাঁচ-ছয়জন আহত হয়েছেন বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরূল হক।ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে চাইলে মি. হক বলেন, বুধবার জেলা সদরের নোয়াপাড়ায় পাড়ায় এক বাঙালি যুবক মারা যান।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের বরাতে বাংলাদেশের গণমাধ্যম প্রথম আলোর খবরে বলা হয়েছে, তাকে মোটর সাইকেল চুরির অভিযোগে গণপিটুনি দেয়া হয়েছিল।
তার মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বাঙালিরা।
পুলিশ বলছে, তারা মিছিল নিয়ে এগোলে লারমা স্কয়ারে অবস্থান নেয় পাহাড়িরা। দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানে বেঁধে যায় সংঘর্ষ।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ওই সময়ের একটি লাইভে দেখা যায়, লারমা স্কয়ারের দুই দিকের রাস্তায় দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলছে। লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া দেয়ার চেষ্টা করছে দু’ পক্ষই।
এরপর লারমা স্কয়ার ও দীঘিনালা কলেজের পাশের অনেকগুলো দোকানপাট ও বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
শতাধিক বাড়িঘর ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক।
দোকানগুলো পাহাড়িদের বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল হক। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসার জন্য তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মি. হক।
তিনি জানান, সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
BBC News বাংলা