1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. yoyorabby11@gmail.com : Munna Islam : Munna Islam
  3. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
জাল সার্টিফিকেট তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ডিবি - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

জাল সার্টিফিকেট তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ডিবি

অনলাইন ডেস্ক :

জাল সার্টিফিকেট তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে অবস্থিত ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাক না কেন আমরা কাউকে ছাড় দেব না। আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে ছাড় দেয়নি। এই চক্রের সঙ্গে যত বড় রাঘববোয়াল জড়িত থাক না কেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

তথ্য-উপাত্তে যদি চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করব। আমরা যেকোনো সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডাকব। সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জাল সার্টিফিকেট তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১ এপ্রিল রাজধানীর পীরেরবাগ এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার সেলের সিস্টেম এনালিস্ট একেএম শামসুজ্জামান ও একই প্রতিষ্ঠানের চাকরিচ্যুত ও বর্তমানে শামসুজ্জামানের ব্যক্তিগত বেতনভুক্ত সহকারী ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

তাদের দেওয়া তথ্যমতে বিপুল পরিমাণ জাল সার্টিফিকেট, মার্কশিট, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র এবং শতশত সার্টিফিকেট মার্কশিট তৈরি করার মতো বিশেষ কাগজপত্র, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে চুরি করে নেওয়া হাজার হাজার অরিজিনাল সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের ব্লাঙ্ক কপি, শতাধিক সার্টিফিকেট এবং ট্রান্সক্রিপ্ট, বায়োডাটা, গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যমতে গত ৫ এপ্রিল কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকা থেকে গড়াই সার্ভে ইন্সটিটিউটের পরিচালক সানজিদা আক্তার কলিকে গ্রেপ্তার করে হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত কামরাঙ্গীরচর হিলফুল ফুযুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে (৪৮) গত ১৮ এপ্রিল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ঢাকা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক মো.মাকসুদুর রহমান ওরফে মামুনকে (৪০) গত ১৯ এপ্রিল গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সর্বশেষ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সাহেবের স্ত্রী সেহেলা পারভীনকে (৫৪) গতকাল উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার একে এম শাসমুজ্জামান ও তার ব্যক্তিগত সহযোগী ফয়সাল গত কয়েক বছরে পাঁচ হাজারের অধিক জাল সার্টিফিকেট মার্কশিট বানিয়ে ভুয়া লোকদের কাছে হ্যান্ডওভার করেছে। একই সঙ্গে সরকারি ওয়েবসাইট, সরকারি পাসওয়ার্ড, অথরাইজেশন ব্যবহার করে ভুয়া লোকদের মধ্যে বিক্রি করা সার্টিফিকেটগুলোকে বাংলাদেশ সরকারের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে। ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যেকোনো দেশে বসে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নাম্বার, রেজিস্ট্রেশন নাম্বারগুলোলে সার্চ করলে তা সঠিক পাওয়া যায়। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীর তথ্য সংযোজন, বিয়োজন ও পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন নিবেদনের ফোকাল পারসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। কোনোক্রমেই সিস্টেম অ্যানালিস্ট বা কম্পিউটার অপারেটররা নয়।

সিস্টেম এনালিস্ট বা কম্পিউটার অপারেটররা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রকদের নির্দেশে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে সংবেদনশীল এই কাজগুলো করার কথা। কিন্তু বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় শহরে অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজ, পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রিন্সিপালরা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, রোল নম্বর সৃজন, রেজাল্ট পরিবর্তন-পরিবর্ধন, নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের তথ্য হোয়াটসঅ্যাপে টাকার বিনিময়ে আদান-প্রদান করেছে কম্পিউটার অপারেটর ও সিস্টেম এনালিস্টদের সঙ্গে। এ রকম দুর্নীতিপরায়ণ ২৫/৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কিছু দুর্নীতিপরায়ণ সিবিএ দালাল কর্মকর্তা-কর্মচারী, কম্পিউটার এবং পরিদর্শন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেজাল্ট পরিবর্তন, নাম ঠিকানা পরিবর্তন, প্রার্থীদের বয়স পরিবর্তন ও অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রোল নম্বর প্রদান সংক্রান্ত কাজগুলো করার সিন্ডিকেট বানিয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট