ইপেপার / প্রিন্ট
চীনের গুয়াংঝুতে অনুষ্ঠেয় ১৪০তম চায়না ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার (ক্যান্টন ফেয়ার) উপলক্ষে বাংলাদেশি দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করেছে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস।
চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিন ধাপে ক্যান্টন ফেয়ারের ১৪০তম আসর অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে চীনা দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, ক্যান্টন ফেয়ারের ভিসার জন্য আবেদনকারীদের শুধু ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ারের সরকারি আমন্ত্রণপত্র জমা দিতে হবে। এটিই ভিসা আবেদনের একমাত্র বাধ্যতামূলক নথি। তবে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে অনলাইনে আবেদন করার সময় পূর্ববর্তী ভিসা, ভ্রমণ রেকর্ড এবং প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি লেটারের মতো সহায়ক নথি আপলোড করতে হবে।
দূতাবাস সতর্ক করে জানিয়েছে, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত ভিসা আবেদন ফেরত দেওয়া হবে। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, অতিরিক্ত খরচ এবং ভ্রমণ পরিকল্পনায় বিঘ্ন এড়াতে অনলাইন আবেদনপত্র সতর্কতার সঙ্গে সম্পূর্ণ ও নির্ভুলভাবে পূরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, আমন্ত্রণপত্র জাল বা পরিবর্তন করা, মিথ্যা তথ্য দেওয়া কিংবা ভুয়া কাগজপত্র জমা দিলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে ভিসা আবেদনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আবেদনকারীদের ভিসার আবেদনপত্র পূরণের দায়িত্ব অন্য কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সির ওপর না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে চীনা দূতাবাস। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, কোনো এজেন্সি বা ব্যক্তিকে ভিসাসেবা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দেয়নি দূতাবাস।
ভিসার ধরন, মেয়াদ, চীনে অবস্থানের সময়সীমা এবং প্রবেশের সংখ্যা সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে দূতাবাস নির্ধারণ করবে।
এ কারণে ‘ভিসার নিশ্চয়তা’, ‘ভিসা না হলে কোনো ফি নয়’, ‘অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ’ বা ‘বিশেষ চ্যানেল’-এর মতো প্রতারণামূলক দাবিতে বিশ্বাস না করার জন্য আবেদনকারীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, তারা আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও দক্ষ ভিসাসেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয়ভাবে নিয়োজিত কোনো কর্মী ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে ভিসা অনুমোদনে প্রভাব খাটানোর দাবি করতে বা ভিসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিতে পারবেন না। এ ধরনের কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রযোজ্য বিধি ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।