বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ করে আইসিসি, যার নেতৃত্বে আছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান জয় শাহ। তবে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের ভারতপ্রীতি চোখে পড়ার মতো। অনেকে তো একে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলও বলে
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের তৃতীয় গ্রুপ ম্যাচ খেলবে না। হাইভোল্টেজ ম্যাচ না হলে কত বড় ক্ষতি হবে, তা আইসিসির ভালো জানা। তাই
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিরাপত্তা জনিত কারণে ভারতে যায়নি। তবে বাংলাদেশ সরকার ক্রিকেটারদের ভারত যাত্রার অনুমতি না দিলেও শুটিং দলকে দিয়েছে। দিল্লিতে এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে গতকাল ভারতে
ভারত ও পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছিল গত রোববার। সেই খেলা শেষ হতে না হতেই পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষণা— আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি
বিতর্কিত স্টাম্পিংয়ে আইসিসির নিয়ম প্রশ্নবিদ্ধ করলেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার খাজা নাফাই। ভিডিও রিপ্লে দেখাল, এই ডিসমিসালে আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশন লংঘন করেছেন। ঘটনা লাহোরে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তানের তৃতীয় টি-টোয়েন্টির। মোহাম্মদ নওয়াজের বলে স্টাম্পিংয়ের
অনেক নাটকীয়তার পর আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের কথা জানিয়েছিল পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার। যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এ বিষয়ে আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু
ইনজুরির কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এদিকে আরও একবার দুঃসংবাদ পেল অজিরা। চোট কাটিয়ে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্টের শুরুতে দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না
অনেক নাটকীয়তার পর আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার। তবে ভারতের বিপক্ষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত ম্যাচটি খেলবে না পাকিস্তান ক্রিকেট দল। সেই ঘোষণার ১৭ ঘণ্টা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। গতকাল পাকিস্তানের এই ঘোষণার পর আজ জরুরি বোর্ড সভা ডেকেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আইসিসির এই জরুরি সভাটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত
সবশেষ বিপিএলের আগে এনসিএল টি-টোয়েন্টি খেলার সময় হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সে সময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রিহ্যাভ সেশন করতে দেখা যেত তাকে। তবে মাহমুদউল্লাহর মনে সংশয় ছিল বিপিএলের