1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে নীতি সংস্কার ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভেটেরিনারি হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল চীন, উদ্বেগ জাপান-অস্ট্রেলিয়ার রাঙামাটিতে অবৈধ সিএনজি বন্ধে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি চালকদের রাঙামাটিতে অবৈধ অটোরিকশা বন্ধে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার নেগোম্বো কারাগারে ভয়াবহ দাঙ্গা, নিহত ২৫ ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ১১ তিস্তার ভয়াল ভাঙনে নিঃস্ব দুই গ্রাম, ভিটেমাটি হারানোর শোকে বাবার মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়তে জেলা প্রশাসনের মাইকিং বরিশালে ব্যবসায়ী নির্যাতনের অভিযোগ: সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় রিহ্যাব এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে নীতি সংস্কার ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে নীতি সংস্কার ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

প্রতিনিধি

 

 

 

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণকে সামনে রেখে সম্ভাব্য তিন বছরের বর্ধিত সময়কে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত সময় কেবল উত্তরণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার জন্য নয়; বরং রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রস্তুতি জোরদারের সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিড (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট) আয়োজিত ‘LDC Graduation and Trade Competitiveness’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও রপ্তানিমুখী করার বিকল্প নেই। এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন ধরনের শুল্ক সুবিধা ও নীতিগত অগ্রাধিকার কমে যেতে পারে। ফলে নতুন বাস্তবতায় দেশের রপ্তানি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে এখন থেকেই কার্যকর প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে নীতি সংস্কার, প্রশাসনিক জটিলতা দূরীকরণ এবং রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

জাহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রাজনীতিকেও অর্থনীতিবান্ধব হতে হবে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অর্থনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এলডিসি উত্তরণ নিয়ে আলোচনা কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্ব বাণিজ্যের পরিবর্তিত কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের নতুন শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশকে এগোতে হবে। এলডিসি উত্তরণের পর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকেই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে রপ্তানি খাত চাপের মুখে পড়তে পারে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। অতিরিক্ত সময় নিশ্চিত হলে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার এবং এলডিসি-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি’-তে প্রায় ১৫৭টি করণীয় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ রয়েছে। দেশের বাস্তবতা অনুযায়ী সেগুলো মূল্যায়ন করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি রপ্তানি খাতের সব ধরনের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি।

জাহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি বাজারে চাপ তুলনামূলক কম হলেও অন্যান্য প্রধান রপ্তানি গন্তব্যে বাংলাদেশকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। তাই সময় বৃদ্ধি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য নয়; বরং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

কর্মশালায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও র‍্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক ড. এম আবু ইউসুফ এবং র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাকসহ অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন। তারা এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিযোগিতা বাড়াতে নীতি সংস্কার, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!