1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
সিটিসেল ফেরা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, ফেসবুকে টাওয়ার বসানোর গুজব - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার ৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দাবি, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার আহ্বান নাহিদের পাঁচ বছরের অপেক্ষা, এখনো অসমাপ্ত সেতু: রশি টানা নৌকাতেই নদী পার পাঁচ গ্রামের মানুষের uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ

সিটিসেল ফেরা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, ফেসবুকে টাওয়ার বসানোর গুজব

প্রতিনিধি

প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের (পিবিটিএল) প্রতিষ্ঠান সিটিসেল পের গ্রাহক সেবায় ফেরা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে একের পর এক গুজব ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাওয়ার বসানো থেকে শুরু করে লাইসেন্স পাওয়া, এমনকি ফলো–শেয়ার করলে ফ্রি সিম–এসব দাবি করে নানা ধরনের ফটোকার্ডে ছড়ানো হচ্ছে তথ্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব পোস্ট দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হলেও এর কোনোটিই সত্য নয় বলে জানালেন প্যাসিফিক টেলিকমের হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স নিশাত আলি খান। সম্প্রতি ফেসবুকের কয়েকটি গ্রুপ থেকে দেখা গেছে শহীদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘সিটিসেল টাওয়ার বসানোর কাজ চলমান। জমিতে টাওয়ার বসাতে চাইলে আবেদন করতে পারবেন, সার্ভে চলছে।’ এর পরই তিনি আরও একটি পোস্টে দাবি করেন, ‘লাইসেন্স পেয়ে গেছে সিটিসেল। আগামী মাসেই বাজারে থাকবে। যেকোনো মোবাইলে চলবে সিম।’

শুধু তাই নয়, আরেকটি ভাইরাল ফটোকার্ডে দেখা যায়—‘কঠিন শক্তিশালী হয়ে ফিরছে সিটিসেল। একটি ফলো, একটি শেয়ার করলে, একটি সিম কার্ড ফ্রি।’ পাশাপাশি ২৫ পয়সা কলরেট ও মেয়াদবিহীন ডাটার কথাও প্রচার করা হচ্ছে আরেকটি পোস্টে। এসব গুজবের বিপরীতে নিশাত আলি খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখনও সিটিসেলের ফেরার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়গুলো এখনো প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু ফেসবুকে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সঠিক নয়। এগুলো কে বা কারা ছড়াচ্ছে, আমরা জানি না।

তিনি আরও বলেন, যদি চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়, আমরা অবশ্যই সবাইকে জানাব। মিডিয়ার সঙ্গে লুকোচুরির কিছু নেই। বিশেষ কোনো অনুমোদন হলে আপনাদের মাধ্যমেই তা জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিপুল বকেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মোবাইল অপারেটর কোম্পানি সিটিসেল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে লাইসেন্সের তরঙ্গ বরাদ্দ ও নবায়ন ফি ২২৯ কোটি টাকা, রাজস্ব ভাগাভাগির ২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, বার্ষিক তরঙ্গ ফি ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা, সামাজিক সুরক্ষা তহবিলের ৮ কোটি ৯২ লাখ লাখ, বার্ষিক লাইসেন্স ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বাবদ ৩৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা ও বিলম্ব ফি বাবদ ১৩৫ কোটি ৭ লাখ টাকা বকেয়ার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু পরে ২৪৪ কোটি টাকা পরিশোধ করে সিটিসেল। সে হিসাবে সিটিসেলের বকেয়া ২৩৩ কোটি টাকা। কিন্তু কোর্টের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখা যায়, সিটিসেলকে ১০ মেগা হার্জ তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে ৮ দশমিক ৮২ মেগা হার্জ। সে হিসাবে সিটিসেলের কাছে সরকারের সবশেষ মোট বকেয়ার পরিমাণ ১২৮ কোটি টাকা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!