বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের সদস্যরা হঠাৎ করেই ওয়াকআউট করেছেন। ঘটনা ঘটে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বানের বিষয়কে কেন্দ্র করে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায়।
ডা. শফিকুর রহমান সংসদে বলেন, “আইনমন্ত্রী সম্ভবত আমার বক্তব্যটি সঠিকভাবে খেয়াল করেননি; তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই না যে এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে। আমাদের মূল আলোচনার বিষয় ছিল গণভোট ও সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবিত পরিষদ। আমরা আশা করেছিলাম স্পিকারের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বা সিদ্ধান্ত পাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।”
তিনি আরও জানান, সরকারের প্রস্তাবিত কমিটি গঠন সংক্রান্ত আলোচনায়, বিরোধী দল ও সরকারি দলের সমান সংখ্যক সদস্য থাকলে সংকট নিরসনে এটি আরও কার্যকর হতো। “আমরা এখানে এসেছি বিদ্যমান সংকট সমাধানের জন্য, নতুন সংকট তৈরির জন্য নয়।”
অন্যদিকে স্পিকার উল্লেখ করেন, গতকালের প্রস্তাবটি একটি মুলতবি প্রস্তাব, যা তার অনুপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল। বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এ ধরনের মুলতবি প্রস্তাব খুবই বিরল। স্পিকার বলেন, “এই সংক্রান্ত আরও একটি নোটিশ আজ আমরা বিবেচনা করব। বিরোধী দলকে আলাপের সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এটি গ্রহণ করা হয়েছে।”
সংসদে এই ওয়াকআউট ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। বিরোধী দল দাবি করছে, গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জনগণের স্বার্থে দ্রুত এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।