ধান অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারের প্রত্যেক কর্মকর্তার মধ্যে স্বৈরাচারীর মনোভাব রয়েছে। কেননা তাদেরকে এমন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যার কারণে তারা এসব কাজ করতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তো অস্থায়ী সরকার। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি এক্সপেক্ট করতে পারি না। কিন্তু কিছু পরিবর্তনের সূচনা আমরা আশা করতে পারি না। গত সরকারের সময় অর্থ লুণ্ঠনের চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে প্রতিষ্ঠানের, এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি। কোনো কিছু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নয়, উপরের আদেশে হয়। সেই প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পুনরুদ্ধার করতে হবে। কিন্তু পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় সরকারের খুব শক্তিশালী অবস্থান দেখছি না।
জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বিগত সরকারের চৌর্যভিত্তিক প্রকল্প ছিল, মানুষের কল্যাণে কাজ হয়নি। পাচার টাকা ফেরত আনলে শাস্তি কম দেওয়া হবে এমন কিছু করা যায়। সঠিক স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা না বলায় বর্তমান সরকারের কাজে গতি নেই।
বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান বলেন, আমলা ও ব্যবসায়ীরা দুর্নীতি করলে তাদের শাস্তির আওতায় আনার মতো শক্তি কী সরকারের আছে? আর তা করতে হলে কী করা দরকার তা নিয়ে কাজ করতে হবে। যেসব দেশ পাচারের টাকা ফিরিয়ে এনেছে তাদের পলিসিগুলো আমাদের অনুসরণ করতে হবে।
সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৭টি মেগা প্রজেক্ট রিভিউ করতে গিয়ে দেখা গেছে, ১৮ হাজার টাকার বাজেট ১৮ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। এসব প্রজেক্ট ঋণের টাকায় করা হয়েছে। এসবের ঋণের চাপ আমাদের ও আগামী প্রজন্মের ওপর পড়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন চ্যানেলে এসব টাকা পাচার হয়েছে। সেগুলো কীভাবে ফেরত আনা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। বিদেশের যেসব টাকা দেশে ঢুকেছিল তা ফেরত নেওয়া হয়েছে সেই আলোকে আমরাও ফেরত আনতে পারব।








