বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘বিগত সরকারের সময়ে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী রাষ্ট্র দখল করে’

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

বিগত সরকারের সময়ে গুটিকয়েক ব্যবসায়ীকে রাষ্ট্র দখল করতে, নানাভাবে সুবিধা আদায় করতে, নীতিমালায় প্রভাব বিস্তার করতে এবং বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন দখল করতে দেখেছি বলে মন্তব্য করেছেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিআইসিসির কার্নিভ্যাল হলে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি-২০২৪ আয়োজিত ‘শ্বেতপত্র এবং অতঃপর : অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সংস্কার জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো ও সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজিএস, বাংলাদেশের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

সেলিম রায়হান বলেন, আমরা দেখেছি একই গ্রুপ ব্যাংক থেকে ঋণখেলাপি। একই গ্রুপ আবার করখেলাপি। ওই গ্রুপেই নানাভাবে টাকা পাচার করছে। এই আন্তঃসংযোগটা একদম নতুন। আমরা ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের আধিপত্য দেখেছি, বড় ব্যবসায়ীদের দেখেছি রাষ্ট্র দখল করতে। যারা নানাভাবে সুবিধা আদায় করেছে, নীতিমালায় প্রভাব বিস্তার করেছে। একই সময়ে তারা বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের লিডারশিপও দখল করে নিয়েছিল। যখনই কোনো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তখনই তারা বাধা দিয়েছে।

তিনি বলেন, পরপর তিনটি অসম্ভব ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউশনগুলোকে (গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান) ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনোরকমের জবাবদিহিতা বা জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা দেখা যায়নি। গত দেড় দশক ধরে রাজনৈতিক অর্থনীতির সমস্যাগুলো দেখছি। তবে এটা গত ৫ দশকের অধিক সময় ধরেই ছিল। দেড় দশকে সমস্যাগুলো অনেক জটিল হয়েছে, অনেক গভীর হয়েছে।