1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
দৃষ্টিহীন হয়েও আজান থামেনি—নাটোরের শতবর্ষী মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমানের ইন্তেকাল - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

দৃষ্টিহীন হয়েও আজান থামেনি—নাটোরের শতবর্ষী মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমানের ইন্তেকাল

প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও ধর্মানুরাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দৃষ্টিহীন মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লা আর নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স আনুমানিক ১২০ বছর হয়েছিল।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বড়দেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান আব্দুর রহমান মোল্লা। তবে শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার মনোবলকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। দৃষ্টি হারানোর ছয় বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পবিত্র হজ পালন করেন। দেশে ফিরে নিজ গ্রামে ৫ শতাংশ জমির ওপর একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করেন এবং পরবর্তীতে সেই জমি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দেন।

মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি নিজেই সেখানে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। কিন্তু দৃষ্টিশক্তি না থাকায় বাড়ি থেকে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে যাতায়াত ছিল তার জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। বাবার এই কষ্ট লাঘবে তার সন্তানেরা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত বাঁশ পুঁতে দড়ি বেঁধে দেন, যাতে তিনি সহজে পথ চিনতে পারেন।

প্রথমদিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে পথটি চিনিয়ে দিলেও পরবর্তীতে আর কারও সহায়তা নিতে হয়নি তাকে। লাঠি ঠুকে ও দড়ি ধরে নিজেই নিয়মিত মসজিদে যেতেন এবং আজান দিতেন।

তার এই অনন্য সংগ্রাম ও ধর্মনিষ্ঠা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচিত ছিল। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন, যা অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!