1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
আ.লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, গণহত্যাকারী সিন্ডিকেট - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ১১ তিস্তার ভয়াল ভাঙনে নিঃস্ব দুই গ্রাম, ভিটেমাটি হারানোর শোকে বাবার মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়তে জেলা প্রশাসনের মাইকিং বরিশালে ব্যবসায়ী নির্যাতনের অভিযোগ: সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় রিহ্যাব এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে নীতি সংস্কার ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর রাইসমিলে মালিককে বেঁধে হত্যার পর ৩ ট্রান্সফর্মার লুট, তদন্তে পুলিশ ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে বদলে গেল ফিফার সিদ্ধান্ত! লাল কার্ড পেয়েও খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের বালোগান ১২৮.২ মিলিমিটার বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা ধামরাইয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত, ৭৩ জনকে ৫৯ লাখ ৫ হাজার টাকার ঋণ ও ১ হাজার গাছের চারা বিতরণ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ

আ.লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, গণহত্যাকারী সিন্ডিকেট

প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি আছে, সামাজিক সম্প্রীতি আছে। কিন্তু একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশকে সাড়ে ২৩ বছর শাসন করেছে। তারা বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে দেয়নি। জনগণকে নানা ভাগে বিভক্ত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ, বিপক্ষ, মেজোরিটি, মাইনোরিটি। তারা নিজেদের জাত হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তাদের বাইরে যারা ছিল তারা আর এই জাতির না, অন্য কিছু।

তিনি বলেন, আমরা সন্তানদের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম ফ্যাসিজমকে বিদায় করার জন্য। সাড়ে ১৫ বছর আমরা দফায় দফায় আক্রমণ তরেছি, সংগ্রাম করেছি। ফ্যাসিজম বিদায়ের হয়তো আমরা ভিত রচনা করেছি, কিন্তু রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিজম বিদায় করতে পারিনি।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বরিশাল নগরীর হেমায়েতউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে জামায়াতের জেলা ও মহানগরের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, শেষ আন্দোলনটি রাজনৈতিক ছিল না। ছাত্র-যুবসমাজের অধিকার আদায়ের আন্দোলন ছিল। তারা কোটা সংস্কারের দাবি করেছিল। সরকার তাদের দমন করার জন্য হাতুড়ে বাহিনী পাঠিয়েছিল। দুনিয়ায় মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য অনেকেই মারা যায়। কিন্তু ডানা মেলে গুলিকে আলিঙ্গন করে মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়া একমাত্র ব্যক্তি হচ্ছে আবু সাঈদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এত এত ঘটনা কেন ঘটলো? একটি দল ও একজন ব্যক্তির রাক্ষসী মানসিকতার কারণে। তারা ক্ষমতার রাক্ষস। তারা অর্থের রাক্ষস। তারা দাম্ভিক ছিলেন। বড় অহংকারী ছিলেন। মানুষকে, বিভিন্ন দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতেন। মানুষ বলে কাউকে সম্মান দিতেন না। দুনিয়ার কিছুটা পাওনা তারা পেয়েছেন। কিছুটা বাকি আছে। যেহেতু তারা গণহত্যাকারী ব্যক্তি ও দল। আমরা চাই গণহত্যাকারী দল ও প্রত্যেক ব্যক্তির বিচার হোক। ন্যায়বিচার হোক। বিদ্যমান আইনে তাদের যথাযথ পাওনাটা সঙ্গে দেওয়া হোক।

জামায়াতের আমির বলেন, বিদেশে যারা পালিয়েছেন তাদেরকে বলি- সত্যিই যদি দেশটাকে ভালোবাসেন আসেন, চলে আসেন। অসুবিধা নেইতো। আপনাদের আমলে আমরা দফায় দফায় জেলে গিয়েছিতো। জেলে থেকেছি। আমাদের কেমন রেখেছিলেন এখন আসলে আপনারা না হয় সেইটা দেখার সুযোগ পেলেন। আপনারা মিথ্যা মামলায় সাজানো আদালতে ফাঁসি দিয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দকে খুন করেছেন। কিন্তু আপনারাতো প্রকাশ্য দিবালোকের খুনি। দেশবাসী সাক্ষী, বিশ্ববাসী সাক্ষী। আপনারা লাশ গুম করতে গিয়ে তাড়াহুড়া করে লাশ ট্রাকের ওপর রেখে পেট্রোল দিয়ে আগুন দিয়েছেন। কোথায় ছিল আপনাদের মানবিক সত্ত্বাটুকু? কীভাবে আপনারা তা পারলেন, এই নির্দেশ দিলেন, এই গণহত্যা সংঘটিত করলেন? ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে যাদের খুন করলেন, তাদের লাশগুলো গুম করলেন।

তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ প্রশ্ন করেন নির্বাচন হলে ওই গণহত্যাকারী দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা? আমরা বলি আগে গণহত্যার বিচার হোক। ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা আগে তাদের হিসাবটা পাক। জনগণই রায় দেবে আওয়ামী লীগ এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে কিনা। রাজনীতির নাম যদি গণহত্যা হয়, এমন দল বাংলাদেশের মানুষ বরদাশত করবে না। রাজনীতির নাম যদি জনকল্যাণ হয়, জনগণ যাকে পছন্দ হয় তাকে বরণ করে নেবে।

জামায়াতের আমির বলেন, আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। বরং গণহত্যাকারী একটা সিন্ডিকেট। আমরা আওয়ামী লীগকে আহ্বান জানাবো, আমরা যা বলেছি তা আদালতে গিয়ে মিথ্যা প্রমাণ করুক।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীকে। নেতৃবৃন্দকে একে একে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কুরআনের পাখি আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গুম করা হয়েছে অসংখ্য নেতাকর্মীকে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত করা হয়েছে। আমাদের সবগুলো রাজনৈতিক কার্যালয় বন্ধ করে রেখেছে। শেষ পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক আত্মহত্যার চারদিন আগে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছে। যারা আমাদের পয়লা আগস্ট নিষিদ্ধ করলেন, মাত্র চারদিনের মাথায় আল্লাহ তাদের মানুষের মনে নিষিদ্ধ করে দিলেন। এখানে আমাদের কোনো বাহাদুরি নেই। অনেকে আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করেন, অনেকে আন্দোলন মানতেও পারেন না। আমরা বলি এর মূল কৃতিত্ব আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের। তিনি জাতির সন্তানদের হিম্মত দিয়েছিলেন বুক সোজা করে দাঁড়াবার, তাই ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মু. বাবর। বক্তব্য দেন শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্তর বাবা জাকির হোসেন, অসিম কুমার হালদারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!