1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
আন্দোলনে যোগ দিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে শিশু রাতুল - NEWSTVBANGLA
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টঙ্গীতে তুরাগ নদে গোসলে নেমে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নরওয়ের বিপক্ষে কি খেলবেন নেইমার? ইঙ্গিত দিলেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি নরওয়ের বিপক্ষে ইতিহাস বদলের লড়াইয়ে আজ ব্রাজিল, লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষ, সরকারি বাহিনীর ১৫ সেনা নিহত ৪ বছর ধরে অন্ধকারে ভোলার মদনপুর, সাবমেরিন কেবল ছিঁড়ে বিদ্যুৎহীন ২০ হাজার মানুষ নিউইয়র্কে স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ ৮ জন গুলিবিদ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওরের অভয়াশ্রমে টাকার বিনিময়ে মাছ ধরার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের হরমুজ প্রণালিতে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলো পাবে বিশেষ সুবিধা:ইরান গোল্ডেন বুটের দৌড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ৭ গোল করে আবারও মেসির পাশে এমবাপে খুলনায় ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১

আন্দোলনে যোগ দিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে শিশু রাতুল

প্রতিনিধি

স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিয়ে টানা ৩৮ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে বগুড়া উপশহরের পথ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেনীর শিশু রাতুল।
রাজধানীর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রাতুল এখন জীবন-মৃত্যু সন্ধিক্ষণে। মাথায় গুলিবিদ্ধ ছেলের শিয়রে ঘুম ঘুম চোখে জেগে আছেন মা রোকেয়া। হাসপাতলের বিছানায় রাতুলের শিয়রে বসে মা বলছেন,গত ৫ আগষ্ট বাড়ি থেকে আন্দোলনে যাবার আগে তাকে বলেছিলাম, “বাবা বিকালের নাস্তা খেয়ে যাও।” জবাবে ছেলে বলেছিল, “দেখি স্বৈরাচার হাসিনার শেষ পরিণতি কি হয়। শুধু দোয়া করো যেন সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসতে পারি।”

সুস্থ অবস্থায় ফিরতে পারেনি রাতুল। সেদিন রাতুলের মাথা ও শরীরে গুলি লেগেছিল। গুলিতে তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। গত ৩৮ দিন ধরে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালের আইসিইউ’র বেডে শুয়ে থাকা জুনায়েদ ইসলাম রাতুল এ পর্যন্ত একটি কথাও বলেনি। সেদিন থেকে মা রোকেয়া বেগম ছেলের শিয়রে বসে রাতদিন দুই চেখের পাতা এক করতে পারেননি। মা ভাবছেন, এইবুঝি ছেলে রাতুল মা বলে ডেকে উঠবে। বুকের ভেতর মুখ লুকাবে। কিন্তু মায়ের অপেক্ষা আর ফুরোয় না। ছেলের শিয়রে বসে তার সুস্থতার জন্য একের পর এক মানত করে করে চলেছেন তিনি। কিন্তু কি করলে আল্লাহ তার কথা শুনবেন, ছোট্ট রাতুল কথা বলে উঠবে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

গত ৫ আগষ্ট বিকালে নাস্তা না করে মায়ের বারণ সত্ত্বেও রাতুল তার বোন বগুড়া মুজিবর রহমান মহিলা কলেজের স্নাতক শিক্ষার্থী জেরিন ও রাতুলের ভগ্নিপতি আমির হামজার সাথে চলে যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে। অন্যদের মত গগন বিদারি স্লোগান দিতে দিতে বগুড়া সদর থানার অদুরে বড়গোলার কাছে পৌঁছায়। বড়বোন জেরিন জানান, তার পাশেই ছিল রাতুল। হঠাৎ পুলিশের আক্রমণ। রাতুলের মাথায় ৪টি ছররা গুলি লাগে। এরমধ্যে একটি গুলি রাতুলের বাম চোখের মধ্যদিয়ে মাথার মগজে ঢুকে যায়। এর পর পর আরো অসংখ্য গুলি লাগে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায়। অজ্ঞান অবস্থায় তার বোন জেরিন ও তার ভগ্নিপতি তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা তাকে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতলে নিতে বলেন।

ঢাকায় আনার পর তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। মগজের ভেতর থেকে একটি গুলি বের করেন চিকিৎসকরা। ভগ্নিপতি হামজা জানান, রাতুলের জন্যে কৃত্রিমভাবে শ্বাস নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুদির দোকানি বাবা জিয়াউর রহমান জানান, তিনি তার সর্বস্ব বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা করছেন। ঢাকায় দুই জন লোকের থাকা,খাওয়া, গাড়ি ভাড়া, ছেলের ওষুধ-পথ্য সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত তার পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি বলেন,খরচ হোক, তবু ছেলে সুস্থ হয়ে উঠুক। ছেলে যেন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে মনেপ্রাণে তিনি তাই চান। ছেলে রাতুলের সুস্থতার জন্যে তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।
বাবা জিয়াউর রহমান জানান, রাতুলের স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের সাধ্যমত আর্থিক সহায়তা করেছেন। আরো দুএকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এগিয়ে এসেছে।
যদিও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!