1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
মায়ের ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্পে আবেগাপ্লুত জিয়াউল হক পলাশ - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

মায়ের ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্পে আবেগাপ্লুত জিয়াউল হক পলাশ

প্রতিনিধি

বাংলা নাটক ও বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ ছোট পর্দার অভিনেতা ও পরিচালক জিয়াউল হক পলাশ। পর্দায় তার অভিনয় দর্শকদের হাসায়, বিনোদিত করে; কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর সংগ্রামের জীবনগাথা, যেখানে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন তার মা।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পলাশ। তিনি জানান, তার শৈশব ও শিক্ষাজীবনের শুরুটা ছিল অসাধারণ সাফল্যে ভরা। প্রায় ৩০০০ প্রতিযোগীর মধ্যে মেধাতালিকায় তৃতীয় হয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে। সেই মুহূর্তটি ছিল তার মায়ের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি।

কিন্তু সময়ের চাকা ঘুরে যায়। ২০০৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর বদলে যায় পুরো পরিস্থিতি। সেই ব্যর্থতার খবর মেনে নিতে পারেননি তার মা। মানসিক আঘাতে তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘ পাঁচ বছর শয্যাশায়ী অবস্থায় কাটান। কথা বলা, চলাফেরা—সবকিছুতেই সীমাবদ্ধতা নেমে আসে তাদের জীবনে। পলাশের ভাষায়, “আম্মা কথা বলতে পারতেন না, আমরা লিখে লিখে যোগাযোগ করতাম।”

এই কঠিন সময়েই শুরু হয় তার জীবনের আরেক সংগ্রাম। পরিবার থেকে অভিনয় ও ফিল্মমেকিংয়ের স্বপ্নের বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলেও তিনি থেমে যাননি। নিজের স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে তিনি যুক্ত হন জনপ্রিয় টেলিভিশন টিম ‘ছবিয়াল’-এর সঙ্গে। প্রতি সপ্তাহে গোপনে বাড়ি ফিরে মায়ের সঙ্গে দেখা করতেন তিনি। সেই সময় মা নীরবে তার হাতে কিছু টাকা তুলে দিতেন—যা ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

পলাশ আরও বলেন, তার মা কখনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত না হলেও পরিবারের সবাইকে মানুষ করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন। দুই সন্তান ছাড়াও আত্মীয়স্বজনদের মানুষ করার পেছনে তার মায়ের ভূমিকা ছিল অসাধারণ।

আজ যখন তিনি সফল অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবে পরিচিত, তখন তার সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো মায়ের গর্বিত অবস্থান। যিনি একসময় আড়ালে ছিলেন, আজ তিনি পরিবারের শক্তির প্রতীক হয়ে সবার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

জিয়াউল হক পলাশের এই গল্প শুধু একজন শিল্পীর নয়, বরং একজন মায়ের আত্মত্যাগ, ভালোবাসা এবং সন্তানের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সংগ্রামের জীবন্ত উদাহরণ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!