1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. yoyorabby11@gmail.com : Munna Islam : Munna Islam
  3. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বড় গরু নিয়ে হতাশ খামারিরা, ক্রেতা বেশি লাখ টাকার - NEWSTVBANGLA
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ১১:১১ অপরাহ্ন

বড় গরু নিয়ে হতাশ খামারিরা, ক্রেতা বেশি লাখ টাকার

প্রতিনিধি

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। শেষ সময়ে কোরবানির জন্য পশু কেনায় ব্যস্ত ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সারা বছর ধরে হাজারো খামারি প্রতীক্ষায় থাকেন কোরবানির এই সময়টির জন্য। তবে কাঙিক্ষত দাম না পেয়ে মাঝারি থেকে বড় আকারের গরু পালনকারী খামারিদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে। বগুড়ায় কোরবানির পশুর হাটে আসা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটি জানা গেছে। তবে ছোট আকারের গরুগুলোর চাহিদা বরাবরের মতো এবারও বেশি।

বগুড়া জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৫টি। যা চাহিদার চেয়ে ২৯ হাজার ১৫৫টি বেশি। কোরবানির জন্য প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে রয়েছে গরু ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১টি, মহিষ ২ হাজার ২৬৬টি। এছাড়াও ছাগল রয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ২৫৭টি এবং ভেড়া ৩৯ হাজার ৮৫১টি।

গতকাল শুক্রবার (১৪ জুন) বগুড়া শহরের প্রসিদ্ধ সুলতানগঞ্জ বনানী হাটে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে লাখো পশু হাটে ওঠে। সমাগম ঘটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

হাট ঘুরে দেখা যায়, দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা দামের বড় গরুর ক্রেতা কম। তবে ৭০ হাজার থেকে সোয়া লাখ টাকার গরুর ক্রেতা বেশি। এরপরের সারিতে রয়েছে দেড় লাখ থেকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকার মাঝারি আকারের গরু। দাম কম হওয়ায় অনেক খামারি গরু বিক্রি না করেই ফিরে গেছেন। এর আগে গত সোমবার এই হাট থেকে অবিক্রিত অনেক গরু ফেরত গেছে।

বিক্রেতারা জানান, পশু পালন করতে গিয়ে খাবারের খরচ বেশি হচ্ছে। প্রতি মাসে গোখাদ্যের পেছনে খামারিদের ব্যয় হয় গড়ে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা। কিন্তু সেই অনুযায়ী প্রত্যাশিত দাম পাওয়া কঠিন। আবার সীমান্ত পেরিয়ে অনেক গরু আসায় দেশীয় গরুর চাহিদা কমে গেছে।

বগুড়ার গাবতলীর রামেশ্বরপুরের খামারি তৈয়বুর রহমান হাটে দুটি গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরু আড়াই লাখ টাকা দামে বিক্রি করলেও লোকসান হবে বলে দাবি করেন তিনি। ধানের গুড়া, ভুসি, ঘাস খাওয়াতে প্রতিদিন একেকটি গরুর পেছনে তার খরচ হয়েছে ৩৫০ টাকা।

তৈয়বুর বলেন, ছোট গরুর চাহিদা হাটে বেশি। যে গরু নিয়ে এসেছি দাম চেয়েছি আড়াই লাখ। কিন্তু মানুষ দাম বলছে ১ লাখ ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। অথচ আড়াই লাখ টাকায় বেচলেও খরচ উঠবে না। কারণ ভুসি, গম, খুদের দাম বেশি। এ ছাড়াও সীমান্ত দিয়ে গরু আসা দাম কমার আরেকটি কারণ।

তিনি বলেন, বর্ডার থেকে গরু না আসলেই ভালো হতো। তাহলে দেশের লোক শান্তিতে দুই একটা বেচতে পারতো। কিন্তু দেশে তো এমন আইন নেই। প্রশাসন দেখে না।

শহরের মালতিনগরের খামারি রবিউল ইসলাম ৩০ মণ ওজনের একটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় নিয়ে এসেছেন হাটে। দাম চেয়েছেন ৯ লাখ টাকা। তবে কাঙিক্ষত মূল্যের ধারে কাছেও কোনো ক্রেতা দাম বলছে না।

রবিউল বলেন, এটা আমার বাড়ির গরুর বাচ্চা। কোরবানিকে কেন্দ্র সাড়ে চার বছর ধরে পালন করছি। দাম বলছে পাঁচ লাখ, ছয় লাখ টাকা। এখন আরও দুই দিন আছে। এর মধ্যে বিক্রি করতে হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট