1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ধারের জিনিস চুরি হলে যা করবেন - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস

ধারের জিনিস চুরি হলে যা করবেন

প্রতিনিধি

ধারের জিনিস চুরি হলে যা করবেন
নিজের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু না থাকলে তাৎক্ষণিক ধার নেওয়ার প্রচলন আছে আমাদের সমাজে। প্রয়োজনের সময় কাউকে ধার দেওয়া মানবিকতার অংশ। ধার নেওয়ার পর গ্রহীতার প্রধান দায়িত্ব হলো প্রয়োজন শেষে দাতাকে সেই জিনিসটি সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। এতে দাতা অন্যকে সাহায্য করতে উৎসাহ পাবেন।

রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। অথবা যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতিও অকৃতজ্ঞ। (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৮১১) তাই প্রয়োজনের সময় সাহায্যকারীর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা জরুরি।

কখনো কারো কাছ থেকে কোনো জিনিস ধার নেওয়ার পর যদি বস্তুটি হারিয়ে যায়, তাহলে গ্রহীতার কর্তব্য হলো— ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাতাকে এমন একটি জিনিস কিনে দেওয়া। এমন পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ইসলামী বিধান হলো—

ধার নেওয়া বস্তু যদি গ্রহীতার অবহেলার কারণে চুরি হয়, হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়, তাহলে তার পূর্ণ জরিমানা দিতে হবে মালিককে। কিন্তু ধারগ্রহীতা যদি দাতাকে তা ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে তিনি অন্যের হক বিনষ্টকারী ও জালেম হিসেবে গণ্য হবেন। (ফতোয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত, ১২/৬০)
অন্যের হক নষ্টকারীর জন্য কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন—

তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন-সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে তা বিচারকের কাছে পেশ করো না। (সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৮৮)
কোরআনে আরও বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, তোমরা আমানতকে তার মালিকের কাছে প্রত্যার্পণ করো বা ফেরত দাও। (সূরা আন-নিসা, আয়াত : ৫৮)

হজরত আবু সিরমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তায়ালা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তায়ালা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪০)
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আবু সিরমাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘কেউ অন্যের ক্ষতি করলে আল্লাহ তার ক্ষতিসাধন করবেন। কেউ অযৌক্তিকভাবে কারো বিরোধিতা করলে আল্লাহ তার বিরোধী হবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৩৫)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!