1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ডাক্তারহীন ৫ বছর: রাজবাড়ীর মা-শিশু হাসপাতালে থেমে গেছে সিজার সেবা, বাড়ছে ভোগান্তি - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

ডাক্তারহীন ৫ বছর: রাজবাড়ীর মা-শিশু হাসপাতালে থেমে গেছে সিজার সেবা, বাড়ছে ভোগান্তি

প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর ২০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র হাসপাতালটি গত পাঁচ বছর ধরে কার্যত চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে। গাইনী ও শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন, ব্যাহত হচ্ছে প্রসূতি সেবা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন গর্ভবতী মা ও তাদের স্বজনরা।

১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি একসময় প্রসূতি ও শিশু চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। মাসে ৩০-৪০টি সিজার ও ৫০-৬০টি স্বাভাবিক প্রসব হতো এখানে। কিন্তু ২০২১ সালে গাইনী চিকিৎসক বদলি হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত নতুন কোনো চিকিৎসক পদায়ন হয়নি। ফলে বর্তমানে সিজারিয়ান সেবা পুরোপুরি বন্ধ, আর স্বাভাবিক প্রসবও সীমিত হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় তা অচল। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অ্যাম্বুলেন্স সেবাও বন্ধ রয়েছে চালক না থাকায়। রোগী কমে যাওয়ায় হাসপাতালের ওয়ার্ড ও বেডগুলো পড়ে আছে প্রায় ফাঁকা অবস্থায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে, যেখানে সিজারের জন্য অতিরিক্ত ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, গাইনী চিকিৎসক না থাকাই রোগী কমে যাওয়ার প্রধান কারণ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পদায়ন না হলে এ সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু নছর মোহাম্মদ কদর উদ্দীন বলেন, হাসপাতালটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!