1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
গাজায় এতিম হয়েছে ৩৮ হাজার শিশু, বিধবা হয়েছেন ১৪ হাজার নারী - NEWSTVBANGLA
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ: প্রশাসনকে দায়ী করে নাহিদ ইসলামের বিচার দাবি এআই সম্প্রসারণে মাইক্রোসফটে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাই লিথুয়ানিয়া সীমান্তে ৫৪ অভিবাসী আটক, তাদের মধ্যে বাংলাদেশিও টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্ররামে জলাবদ্ধতা, হাঁটুসমান পানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত ‘২৩ বছর ধরে আমাকে শেষ করার চেষ্টা করছেন, লাভ হয়নি’—সমালোচকদের জবাব রোনালদোর সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, আহত ২ ভেটেরিনারি হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল চীন, উদ্বেগ জাপান-অস্ট্রেলিয়ার রাঙামাটিতে অবৈধ সিএনজি বন্ধে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি চালকদের রাঙামাটিতে অবৈধ অটোরিকশা বন্ধে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

গাজায় এতিম হয়েছে ৩৮ হাজার শিশু, বিধবা হয়েছেন ১৪ হাজার নারী

প্রতিনিধি

দীর্ঘ ১৫ মাসের বেশি সময় পর সম্প্রতি ফিলিস্তিনের গাজায় কার্যকর হয়েছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ফিরছেন নিজ নিজ এলাকায়। আর এরপরই ক্রমান্বয়ে বের হয়ে আসছে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র।

গাজায় দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চালানো নিরলস এই আগ্রাসনে এতিম হয়ে গেছে ভূখণ্ডটির ৩৮ হাজারেরও বেশি শিশু। আর স্বামীহারা হয়ে বিধবা হয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার নারী। গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনে ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু এতিম হয়ে গেছে। জাহের আল-ওয়াহিদি নামের ওই কর্মকর্তা আনাদোলুকে বলেছেন, “ইসরায়েলি এই বর্বরতায় কমপক্ষে ১৩ হাজার ৯০১ জন নারীও বিধবা হয়েছেন।”

ফিলিস্তিনি এই কর্মকর্তা বলেছেন, দীর্ঘ এই আগ্রাসনে প্রায় ৩২ হাজার ১৫১ জন শিশু তাদের বাবাকে হারিয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৪১৭ জন শিশু তাদের মাকে হারিয়েছে এবং ১ হাজার ৯১৮ জন শিশু তাদের মা-বাবা উভয়কেই হারিয়েছে।

তিনি বলেন, “এই পরিসংখ্যানগুলো গাজার জনগণের যন্ত্রণার মাত্রা কতটা তীব্র সেটিকেই প্রতিফলিত করে। আর এই কারণে এতিম এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুঃখকষ্ট দূর করতে এবং তাদের জীবন পুনর্গঠনের জন্য সকলকে জরুরিভাবে কাজ করতে হবে।”

গাজায় ছয়-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায় গত ১৯ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছে। সেদিন থেকেই গাজায় বন্ধ হয়েছে ইসরায়েলি আগ্রাসন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। এছাড়া আরও ১ লাখ ১১ হাজার ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের আপাতত অবসান ঘটলেও ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি আক্রমণে নিখোঁজ রয়েছেন ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!