টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এ জেলার প্রায় সব উপজেলার মানুষজন। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায়
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম৷ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এক
উজান ও বৃষ্টির পানিতে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ফেনী। প্রাণ বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন পানিবন্দি মানুষজন। এ অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃহস্পতিবার
ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের প্রবল চাপ ও অবিরাম বৃষ্টিপাতে স্মরণকালের বন্যার ভয়াবহ রূপ দেখছে ফেনীর তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদের কয়েক লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় জেলার
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়। বুধবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন উপসচিব মোসা. শুকরিয়া পারভীন। বিজ্ঞপ্তি বলা
ভয়াবহ বন্যায় আটকা পড়েছে দেশের ৯টি জেলার সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে ফেনী। এই জেলার তিনটি উপজেলার সঙ্গে ইতোমধ্যেই সকল
সরকারের আশায় বসে না থেকে বন্যার্ত অহসায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।দলের সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর এ আহ্বান জানান গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সীতাকুণ্ড, মিরসরাই ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব উপজেলার ৩১ ইউনিয়নের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে
টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুমিল্লার গোমতী, সালদা, কাঁকড়ি ও ডাকাতিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত
টানা ভারী বৃষ্টি এবং মুহুরী নদীর পানিতে নোয়াখালীর ৮ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২২ লাখের বেশি মানুষ। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে নোয়াখালীতে চলছে বজ্রসহ ভারী বর্ষণ।