ইপেপার / প্রিন্ট
চলমান বিপিএলে শুরুর পর্বে বাউন্ডারি নিয়ে ছিল না কোনো অভিযোগ। তবে সিলেট পর্বের বাউন্ডারি নিয়ে ছিল শুরু হয় নানা কথা। প্রথম এই নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বর্তমানে চট্টগ্রাম পর্বের বাউন্ডারি নিয়ে অবশ্য অভিযোগ শোনা যায়নি তেমন। আজ রোববার বাউন্ডারি লাইন নিয়ে কথা বলেছেন বরিশাল পেসার রিপন মন্ডল।
ফরচুন বরিশালের হয়ে রোববার চিটাগাং কিংসের বিপক্ষে দারুণ এক স্পেল উপহার দিয়েছিলেন রিপন। এরপরে সাংবাদিকদের সামনে এসে বলছিলেন এই স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি সীমানা নিয়ে, ‘বাকি যে দুইটা ভেন্যু ছিল তার থেকে চট্টগ্রামের ভেন্যুর বাউন্ডারি একটু বড়। বাউন্ডারিটা একটু ম্যাটার করে। ভালো জায়গায় যদি আপনি বোলিং করতে পারেন.. এটা তো সহজ না মেরে দেবে।’
তবে চিটাগাংকে আজ ১২১ রানে আটকে দেয়ার পেছনে নিজ দলের কৃতিত্বটাই বড় করে দেখছেন তিনি, ‘এক-দুইটা বল মারতে পারে কিন্তু ধারাবাহিকভাবে যদি ভালো জায়গায় বোলিং করতে পারেন বা আমরা পারি তাহলে কোন ব্যাটারের জন্যই সহজ না। এখানের পিচ ম্যাপ দেখবেন আর অন্য জায়গায়র পিচ ম্যাপ দেখবেন মোটামুটি একটু পরিস্কার ধারণা হয়ে যাবে। আমার কাছে মনে হয়েছে এখানে আমরা বোলাররা ভালো জায়গায় বোলিং করছি, ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। এজন্য একটু কম রান হচ্ছে।’
সীমানা বড় হলে ছক্কা মারার ক্ষেত্রে ভয় থাকে ব্যাটারদের– এমনটাই দাবি রিপনের, ‘বাউন্ডারি একটু থাকলে ব্যাটারদের সংশয়ও থাকে। আগে যেটা ছিল হয়ত ৬০ কিংবা ৬৫ মিটার ছিল বা আরও কম ছিল। তখন একটা আলাদা আত্মবিশ্বাস থাকে ব্যাটারদের মনে.. পেস ব্যবহার করতে পারলে হাফ হিট করলেও হয়ে যেতে পারে। এখানে যেহেতু বাউন্ডারিটা বড় ব্যাটারদের মনেও হালকা ভয় থাকে।’
বরিশাল দলে রয়েছে একাধিক তারকা। অনেকের ভিড়ে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে তার মন্তব্য, ‘আমাদের দলে যেহেতু অনেক বড় বড় তারকা। এগুলোকে মাথায় নিয়ে শুধু খেলাগুলো উপভোগ করছি। আমি যদি সুযোগ পাই চেষ্টা করি আমি যেন নিজেদের শতভাগ দিতে পারি। আমি যদি আমার নিজের শতভাগ দিতে পারি তাহলে এটা দলের জন্য ভালো, আমার জন্যও ভালো।’