ইপেপার / প্রিন্ট
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় চলতি জুন মাসে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রয়েছে ৩টি হত্যাকাণ্ড, ৯টি আত্মহত্যা এবং ৯টি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা জানান, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি মরদেহের ঘটনায় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলার আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ী শামীম বেপারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার, ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফার ওপর হামলার পর অভিযুক্ত কালু বাহিনীর প্রধান কালুর গণপিটুনিতে মৃত্যু এবং অটোরিকশাচালক মিজানুর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার।
এছাড়া জেলা পরিষদ ডাকবাংলো থেকে দুই সন্তানসহ এক মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, দুই সন্তানকে হত্যার পর মা আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ সুপার বলেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ও আইনি তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য একাধিক টিম কাজ করছে। পাশাপাশি আত্মহত্যা ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু রোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।