শিশুদের শতভাগ টিকার আওতায় আনতে মোবাইল এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) গুলশানে ডিএনসিসি নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণাও জোরদার করা হচ্ছে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কোনো শিশুকে টিকার বাইরে রাখা হবে না।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), UNICEF Bangladesh এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় ৯টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া দেশে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল এবং হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
২০২৩ সালের ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদানের হার ৭৯ শতাংশ। ডিএনসিসি এলাকায় এই হার ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সভায় চলমান হাম-রুবেলা পরিস্থিতিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ৪৪ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ২৬৮ জনের মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এজন্য গত ৫ এপ্রিল থেকে ৬–৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য জরুরি এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে।