1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
প্রশ্নফাঁস-জালিয়াতির অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা

প্রশ্নফাঁস-জালিয়াতির অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ

প্রতিনিধি

প্রশ্নফাঁস-জালিয়াতির অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ
প্রশ্নফাঁস, ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন নিয়োগপ্রত্যাশী। একই সঙ্গে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। দুপুর ১২টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘প্রশ্নফাঁস চলবে না, চলবে না’, ‘প্রশ্নফাঁস হটাও, শিক্ষা বাঁচাও’, ‘মেধাবীরা বঞ্চিত কেন, ডিপিই জবাব চাই’, ‘পরিশ্রমের মর্যাদা নেই’—এ ধরনের লেখা সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো— সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া; সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নেওয়া এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার বসানো; স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তাদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া এবং একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা না নেওয়া; যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতীতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ রয়েছে, তাদের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব না দেওয়া; প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা।

এর আগে, গত ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষার কয়েক দিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ফেসবুকে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার দাবি করে অনেকে বিভিন্ন প্রশ্ন শেয়ার করেন।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের একটি অংশ থেকে হুবহু কয়েকটি প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেছে। এতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ আরও জোরালো হয়। তাদের দাবি, ২৫ ডিসেম্বর প্রশ্নপত্র জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেওয়ায় তা প্রশ্নফাঁস চক্রের হাতে চলে গেছে।

পরীক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ডিভাইস পার্টি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেখানে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতা বাড়ে। এর ফলে বিভিন্ন জেলায় শতাধিক পরীক্ষার্থীকে ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করেছেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।

প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি। তবে ঠিক কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং কতজন অনুপস্থিত ছিলেন, সে তথ্য এখনো নিশ্চিত করেনি অধিদপ্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!