1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
৮ মাস ধরে ঝড়ে ভেঙে যাওয়া ঘরেই বসবাস রহিমা খাতুনের - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

৮ মাস ধরে ঝড়ে ভেঙে যাওয়া ঘরেই বসবাস রহিমা খাতুনের

প্রতিনিধি

ঝড় থেমেছে অনেক আগেই। কিন্তু সেই ঝড়ের ক্ষত এখনো থামেনি বিধবা রহিমা খাতুনের জীবনে। ২০২৫ সালের ১৯ জুনের আকস্মিক টর্নেডো এক মুহূর্তেই তার ঘরটা ভেঙে দিয়ে যায়। আট মাস পেরিয়ে গেলেও ভাঙা ঘরে ভয় আর অসহায়ত্ব নিয়েই দিন কাটছে তার।

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের স্ত্রী রহিমা খাতুন এখনো বসবাস করছেন সেই বিধ্বস্ত ঘরেই। ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে আর রোদে শুকিয়েই কাটে তার জীবন। উপার্জন করার মতো কেউ নেই পরিবারে তাই অসহায়ত্বই যেন তার নিত্যসঙ্গী।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভেঙে পড়া ঘরের ভেতর নামাজের বিছানায় বসে কোরআন তিলাওয়াত করছেন রহিমা খাতুন। পাশে মেয়ে রোকসানা আক্তার। মানুষের দয়া-সহযোগিতার ওপর নির্ভর করেই চলে তাদের সেহরি ও ইফতার।সেই ভয়াল দিনের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন রহিমা খাতুন। তিনি বলেন, ভোরে হঠাৎ বাতাসের ভয়ংকর শব্দ শুনি। গাছ ভাঙার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটা বড় গাছ ঘরের ওপর পড়ে। আমি, আমার মেয়ে আর নাতি ঘুমিয়ে ছিলাম। তারা চিৎকার করে কোনোভাবে আমাকে বের করে। তারপর থেকে ঘরটা আর ঠিক করতে পারিনি। আমার সামর্থ্য নেই। অনেকেই আসে, ছবি তোলে কিন্তু কেউ ঘর করে দেয় না।

স্থানীয়দের ভাষ্য, টর্নেডোর পর সেনবাগ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ২১টি পরিবারকে দুই বান টিন, ৬ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছিল। অন্য পরিবারগুলো কোনোভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও রহিমা খাতুনের ভাগ্যে জোটেনি স্থায়ী আশ্রয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক ডিলার বলেন, প্রায় এক বছর ধরে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেই ভাঙা ঘরে বসবাস করছেন এই অসহায় নারী। টর্নেডো সেদিন পুরো এলাকাকে তছনছ করে দিয়েছিল।

আরেক বাসিন্দা শাহরিয়ার অরুপ বলেন, রহিমা খাতুনের মতো অসহায় মানুষ খুব কম দেখা যায়। সমাজের বিত্তবানরা কিংবা সরকার এগিয়ে এলে তার অন্তত মাথা গোঁজার একটি ঘর হতো।

নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, রহিমা খাতুন এখনো জরাজীর্ণ ঘরে আছেন বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!