ইপেপার / প্রিন্ট
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ ব্যাটাররা বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা একটি বিব্রতকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। ২২৪ দিন পর ওয়ানডেতে খেলতে নেমে কোহলি রানের খাত খুলতে পারেননি, আর রোহিত মাত্র ৮ রান করে আউট হন। মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের বোলিংয়ে ভারতীয় ওপেনাররা দ্রুত আউট হয়ে দলকে বিপর্যয়ে ফেলে। শুভমান গিলও সাত মাস পর জাতীয় দলে ফিরলেও মাত্র ৮ রান করেন। ফলে মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভারত শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে।
এই সিরিজে কোহলি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৩০তম ওয়ানডে খেলছেন, যেখানে তার পূর্বের ২৯ ম্যাচে এমন শূন্য রানের অভিজ্ঞতা হয়নি। রোহিত ও কোহলির দ্রুত আউট হওয়ার কারণে ভারতীয় দলের পাওয়ার প্লেতে যৌথ রান ছিল সর্বনিম্ন, যা ২০২৩ সালের পরও দেখা যায়নি। পার্থের অপ্টাস স্টেডিয়ামে খেলা চলাকালীন দুই দফা বৃষ্টি ম্যাচে বিরতি ঘটায়। দ্বিতীয় দফায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ভারত ৩ উইকেটে ৩৭ রান সংগ্রহ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতীয় দলের এই দুর্বল শুরু সিরিজের ফলাফলের ওপর চাপ ফেলতে পারে। অভিজ্ঞ ওপেনারদের ব্যর্থতা এবং নতুন খেলোয়াড়দের সীমিত অবদান দলের মানসিকতায় প্রভাব ফেলেছে। কোচ ও অধিনায়ক দলের পুনরুদ্ধারের জন্য কৌশল পরিবর্তন ও প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির উপর জোর দিচ্ছেন। ভারতের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের জন্য এই ম্যাচ একটি সতর্কবার্তা, যা তাদের ফর্ম ও মানসিক প্রস্তুতির গুরুত্ব পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছে।
এই ম্যাচ ভারতের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম পর্ব। দলের পারফরম্যান্সে শক্তি ও দুর্বলতা দুইই স্পষ্ট হয়েছে। পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ভারতকে কৌশলগত পরিবর্তন এবং খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন হবে যাতে তারা সিরিজে সমানুপাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বজায় রাখতে পারে।