ইপেপার / প্রিন্ট
হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এর মাধ্যমে ৪৯৫টি উপজেলায় ৫৫ লাখ পরিবারকে বছরের ছয় মাস প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল বিতরণ করছে। এই তথ্য জাতীয় সংসদে মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য মোট ১০ লাখ টন চাল বাজেটে সংরক্ষিত রয়েছে। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত ৭.৯৩ লাখ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে, যা বাজেটের প্রায় ৭৯.২৫ শতাংশ।”
পুষ্টি সমৃদ্ধ চালের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের ভিটামিন ও খনিজ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২৪৮টি উপজেলায় ৩.৭ লাখ টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি-১, বি-১২, ফলিক এসিড, আয়রন এবং জিংক সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর বাজারদর নিয়ন্ত্রণের জন্য ওএমএস (সাধারণ) কার্যক্রমে ১ হাজার ৯১টি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল এবং ২৪ টাকা কেজি দরে খোলা আটা বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ কার্যক্রম হিসেবে ৪১৮টি উপজেলায় ৮৩৬টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিদিন ৪০৬ টন চাল বিক্রয় করা হচ্ছে।
খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ওএমএস খাতে ৩ লাখ টন চাল এবং ৫.২৫ লাখ টন গম সংরক্ষিত আছে। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত ২.৯ লাখ টন চাল এবং ৩.২৭ লাখ টন গমের ফলিত আটা বিক্রি করা হয়েছে, যা বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশ।
টিসিবির মাধ্যমে প্রতিমাসে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ হচ্ছে ৬৭ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৭টি পরিবারের মধ্যে, যার পরিমাণ প্রতি মাসে ৩৩,৮৩৩ টন।
এই কর্মসূচি দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বাজারে চালের মূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।