1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
সীতাকুণ্ডে শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

সীতাকুণ্ডে শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা

প্রতিনিধি

সীতাকুণ্ডে শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকায় কেআর শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

এর আগে কারখানা কর্তৃপক্ষ ডাকাতদলের হামলায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছে বলে প্রচার করে। তবে বিষয়টি নিয়ে সোমবার ‘শিপইয়ার্ডে শ্রমিকের ছিন্নভিন্ন মরদেহ, ডাকাতি নাকি দুর্ঘটনা?’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশও নিশ্চিত হয় কারখানায় ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। মালিকপক্ষ দুর্ঘটনা আড়াল করতে ডাকাতদলের হামলায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছিল বলে প্রচার করে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম  বলেন, কর্তব্যরত কাজে অবহেলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটি তদন্ত করা হচ্ছে।

সোমবার সকালে কেআর শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের পার্শ্ববর্তী আরেকটি ইয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম (২৫) ও আবদুল খালেক (২৭) নামে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে আড়াইটার দিকে বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজনের শরীর থেকে মাথা, হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং অন্যজনের শরীরেও হালকা আঘাতের চিহ্ন আছে।

ঘটনার পর কেআর শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিম উদ্দিন বলেন, সোমবার সকালে একটি জাহাজ ভেড়ানোর সূচি ছিল। এ কারণে শ্রমিকেরা ভোররাত থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় দুটি কালো বোটে করে একদল ডাকাত ইয়ার্ডের দিকে আসতে দেখে শ্রমিকেরা তাদের ধাওয়া দেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। ইয়ার্ড থেকে অন্য একটি নৌকা গিয়ে কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হলেও দুজন পানিতে তলিয়ে যান। পরবর্তীতে কয়েকশ মিটার দূরে একটি ইয়ার্ডের সামনে থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তবে কারখানার কর্মকর্তা জেলা ও শিল্প পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে কারখানাটিতে ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত জাপান থেকে একটি জাহাজ রিসাইক্লিংয়ের জন্য রাতে শিপইয়ার্ডে আসার কথা। শিপইয়ার্ড থেকে দুটি বোট জাহাজটিকে এগিয়ে আনতে যায়। এর মধ্যে একটি দিকনির্দেশনার জন্য। অন্যটিতে কিছু প্রয়োজনীয় মালামাল ছিল। বড় জাহাজটি শিপইয়ার্ডে পৌঁছার আগে ঘন কুয়াশার কারণে একটি বোট দেখতে পায়নি। এতে বড় জাহাজের নিচে একটি বোট তলিয়ে গেলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তা ও শ্রমিক সুরক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিশ্রুতি ও উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। সম্প্রতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিলসের একটি জরিপে ওঠে আসে, ২০২৫ সালে জাহাজভাঙা খাতে মোট ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৫৮ জন শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন, মারাত্মক আহত হয়েছেন ৩১ জন এবং হালকা আহত হয়েছেন ১৫ জন। চারটি ঘটনায় একাধিক শ্রমিক একসঙ্গে আহত হন।

জরিপে ওঠে আসে দুর্ঘটনার প্রায় ৬৩ শতাংশই ছিল মারাত্মক। এসব ঘটনায় হাত-পা কাটা বা থেতলে যাওয়া, হাড় ভাঙা, মাথা, চোখ, কান ও বুকে গুরুতর আঘাত এবং আগুন ও বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হালকা দুর্ঘটনার হার ২৯ শতাংশ হলেও মৃত্যুর হার ৮ শতাংশ, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল মাথায় গুরুতর আঘাত, ভারি লোহার আঘাত এবং ট্যাংকির ভেতরে পড়ে যাওয়া যার সবকটিই প্রতিরোধযোগ্য বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভারী লোহা, লাইনার বা গার্ডার পড়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৫ শতাংশ। এরপর রয়েছে আগুন, গ্যাস ও অক্সিজেন বিস্ফোরণ (২০ শতাংশ)। উচ্চতা থেকে পড়ে যাওয়া এবং ম্যাগনেট, ক্রেন বা যন্ত্রপাতিজনিত দুর্ঘটনা উভয়ই প্রায় ১৫ শতাংশ। কাটিং ও গ্রাইন্ডিং দুর্ঘটনা ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায় ৫ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!