ইপেপার / প্রিন্ট
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পর্যটন শিল্পের সাদা পাথর লুটপাট করে বিভিন্ন ক্রাশার মিলে ক্রাশিং করায় উপজেলা প্রশাসন কোম্পানীগঞ্জ আজ ১৩ জুন (শনিবার) অভিযানে নামে উপজেলার কলবাড়ী ক্রাশার মিল অধ্যূষিত এলাকায়। অভিযানে হাবিব ষ্টোন ক্রাশার, আবির ষ্টোন ক্রাশার, জালাল ষ্টোন ক্রাশারসহ অন্তত ৮ টি ক্রাশার মিলে সাদা পাথর রাখার দায়ে ভাংচুর ও পাথর জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া ও ভূমি কর্মকর্তা পলাশ তালুকদার।
স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে আলোচিত সাদা পাথর কান্ডে হরিলুট সংবাদে গতবছর দেশ বিদেশে সমালোচনা ঝড় উঠে ।এর ভিত্তিতে উপজেলার বেশ ক’জন আলোচিত ব্যক্তি জেলের ঘানিও টানেন। একসময় সাদা পাথর লুট বন্ধ থাকলেও মাস চারেক ধরে ফের একটি চক্র পাথর লুট করে কলাবাড়ী এলাকার বেশ কয়েকটি ক্রাশার মিলে বিক্রি করছে বলে জানা গেছে ।কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাদা পাথর ক্রয় করে ক্রাশিং করে অবাধে পাচার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কয়েকমাস পূর্বে এমনই অভিযোগে হাবিব ষ্টোন ক্রাশারে উপজেলা প্রশাসন কোম্পানীগঞ্জ কয়েক হাজার ঘনফুট পাথর জব্দসহ ভাংচুর করেন মিলের যন্ত্রাংশ। কিন্তু জব্দ পাথর রাতের আঁধারে হরিলুট হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে ক্রাশার মিল মালিক হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদকের ফোন রিসিভ না করায় অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা ভূমি অফিসার পলাশ তালুকদার বলেন সাদা পাথরের অস্তিত্ব পাওয়ায় বেশ কয়েকটি ক্রাশার মিলের ক্রাশিং যন্ত্রাংশ ধংস করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ হাজার ঘনফুট সাদা পাথর জব্দ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে ভোলাগঞ্জ পর্যটন স্পটের সাদা পাথর লুটের সাথে যে বা যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
মোঃ জয়নাল আবেদীন
কোম্পানীগঞ্জ(সিলেট)প্রতিনিধিঃ