ইপেপার / প্রিন্ট
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ শুরু হতেই অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেই হুমড়ি খেয়ে পড়েন যাত্রীরা। সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় সব গন্তব্যের আসন শেষ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা যায়, ১৩ মার্চের জন্য নির্ধারিত বেশিরভাগ ট্রেনের কোনো আসন অবশিষ্ট নেই। ঢাকা-রাজশাহী রুটের চারটি, ঢাকা-পঞ্চগড়ের তিনটি, ঢাকা-চিলাহাটি ও ঢাকা-বেনাপোল রুটের দুটি করে, ঢাকা-দিনাজপুরের তিনটি, ঢাকা-রংপুরের দুটি এবং ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের দুটি ট্রেনের সব আসন বিক্রি হয়ে গেছে। শুধু ঢাকা-খুলনা রুটের তিনটি ট্রেনে কিছু আসন খালি দেখা গেছে।
রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ধাপে ধাপে টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৩ মার্চ। ১৪ মার্চের টিকিট ৪ মার্চ, ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে। এছাড়া চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
বিশেষ ব্যবস্থায় একজন যাত্রী একবারে সর্বোচ্চ চারটি আসন কিনতে পারবেন এবং অগ্রিম টিকিট রিফান্ডযোগ্য নয়। যাত্রীদের সুবিধার্থে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রার আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই ট্রেনের টিকিট নিয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেই বিপুল চাহিদা প্রমাণ করে, সড়কপথের ভোগান্তি এড়াতে রেলপথকেই তুলনামূলক নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণ মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অধিকাংশ যাত্রী।