1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
‘সত্যায়িত করতে গিয়ে খুব অপদস্থ আর অসম্মানের শিকার হয়েছিলাম’ - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার ৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দাবি, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার আহ্বান নাহিদের পাঁচ বছরের অপেক্ষা, এখনো অসমাপ্ত সেতু: রশি টানা নৌকাতেই নদী পার পাঁচ গ্রামের মানুষের uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino

‘সত্যায়িত করতে গিয়ে খুব অপদস্থ আর অসম্মানের শিকার হয়েছিলাম’

প্রতিনিধি

উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত অবস্থায় এক ভেটেরিনারি সার্জনের কাছে সার্টিফিকেটের ফটোকপি সত্যায়িত করতে গিয়ে চরম অপদস্থ হয়েছিলেন ময়মনসিংহের শাহীন আলম। এবার নিজেই তিনি সত্যায়িত করার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। শাহীন আলম ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে গত ১ মার্চ যোগদান করেছেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে শাহীন আলম শিক্ষা জীবনে সত্যায়িত করতে গিয়ে চরম অপমান ও ভোগান্তির শিকার হওয়া নিয়ে ফেসবুকে স্মৃতিচারণ করে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

ইন্টারমিডিয়েটে থাকাকালে আমার উপজেলার তৎকালীন ভেটেরিনারি সার্জনের কাছে সার্টিফিকেট সত্যায়িত করতে গিয়ে খুব অপদস্থ আর অসম্মানের শিকার হয়েছিলাম। সেই অপমান এখনো ভুলতে পারিনি, হয়তো কখনোও পারবো না!

অথচ, সময়ের আবর্তে অপদস্ত হওয়া সেই আমিই আজ সত্যায়িত করার সুযোগ ও দায়িত্ব পেয়েছি। এটাকেই বলে বিধাতার লীলা। তাই কাউকে কখনো ছোট করে দেখা উচিত না। কারণ কাকে, কোথায়, কখন, কোন অবস্থানে নিয়ে যাবে একমাত্র বিধাতাই ভালো জানে।

যদিও বর্তমান ডিজিটাল যুগে সত্যায়িত নামক এই উদ্ভট নিয়মের কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না এবং এই প্রথা রহিত করে চাকরিপ্রার্থী ও ছাত্র-ছাত্রীদের হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়ার জোর দাবি জানাই। তবুও, যতদিন এই নিয়ম আছে, জনগণকে সেবা দিতে সর্বদা প্রস্তুত আছি।

প্রিয় অনুজ বা পরিচিত কারও যদি সত্যায়িত করার প্রয়োজন হয়, নির্দ্বিধায় চলে আসতে পারেন আমার কাছে। সত্যায়িত করার পাশাপাশি চা খাওয়ার দাওয়াত রইলো। আর আমি যেখানেই থাকি না কেন, আপনাদের জন্য ব্যাগে সব সময় একটা সিল রাখবো, ইনশাআল্লাহ্।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!