ইপেপার / প্রিন্ট
সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও কর্মস্থলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে নতুন সংশোধনী বিল সংসদে পাস করেছে। নতুন প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করা, কর্মে সমবেতভাবে অনুপস্থিত থাকা বা সহকর্মীর কর্তব্যে বাধা প্রদানের মতো কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা অনুমোদিত হয়।
বিলের নতুন ধারা ৩৭ক অনুযায়ী, অসদাচরণের জন্য তিনটি প্রধান দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে:
বিল অনুসারে, অভিযুক্ত কর্মচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে পারবে। অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি থাকলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটিকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে আরও ৭ দিন বাড়ানো যাবে। তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে তা ‘অদক্ষতা’ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা, আনুগত্য প্রতিষ্ঠা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করাই মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে ২০২৫ সালে জারি করা দুটি অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনি কাঠামো দেওয়া হয়েছে।