মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মোড় নিয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। আলোচনা চালাতে ইরান এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পৌঁছেছে ইসলামাবাদ এ, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে রয়েছে পাকিস্তান।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স।
তবে এই বৈঠক আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মূল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু লেবানন। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময় শেহবাজ শরিফ জানিয়েছিলেন, লেবাননও সেই চুক্তির আওতায় থাকবে। কিন্তু বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পরে তা অস্বীকার করেন এবং এরপরই সেখানে নতুন করে হামলা শুরু হয়।
ইরান এখন শর্ত দিয়েছে—লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। তবে এখন পর্যন্ত এ শর্তে সম্মতি দেয়নি ইসরায়েল।
এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান নিউজ জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য সংলাপ স্থগিত করেছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ইস্যুকে ঘিরে এই কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভবিষ্যতের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।