ইপেপার / প্রিন্ট
রেইজ প্রকল্পের উদ্যোগে ৫দিনব্যাপি জীবন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংক এর আর্থিক সহযোগিতায় সোস্যাল আপলিফটমেন্ট সোসাইটি (সাস) পরিচালিক রেইজ প্রকল্পের উদ্যোগে সাস প্রধান কার্যালয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৫দিনব্যাপি জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণের সমাপ্তি হয়েছে।
প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সাস এর উপপরিচালক ও রেইজ প্রকল্পের ফোকাল পার্সন মঞ্জুর মোর্শেদ এর সভাপতিত্বের অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সমকাল এর ষ্টাফ রিপোর্টার গোবিন্দ আচায্য, নিউজ টিভি বাংলার চেয়ারম্যান মো: দিদারুল ইসলাম, সফল নারী উদ্যোক্তা সুপ্তী, রিপিলা চাকমা এবং নারগিস আক্তার। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন রেইজ প্রকল্পের লাইফ স্কীল অফিসার পারভীন আক্তার শান্তা, কেইচ ম্যানেজমেন্ট অফিসার শেখ মো: খালিদ আকরাম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন রেইজ প্রকল্পের সমন্বয়কারী বাবুল মোড়ল।
রেইজ প্রকল্পের আওতায় বেকার তরুনদের উদ্যোক্তা তৈরীর লক্ষে সাভার, ধামরাই ও কালিয়াকৈর এলাকার দুটি ব্যাচে ৫০জন শিক্ষানবিশদের মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, পেষ্টি এন্ড ব্যাকারী, বিউটিফিকেশন, ফ্যাশন গার্মেনটস ইত্যাদি ট্রেডে ৬মাসব্যাপি হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষণের মধ্যে ৫দিনের জন্য জীবন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষানবিশদের লক্ষ নির্ধারন, যোগাযোগ দক্ষতা, মটিভেশন, সিদ্ধান্ত গ্রহন, সমস্যার সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হয়।
বাংলাদেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮৬.২% অনানুষ্ঠানিক খাতে এবং ৭৮% কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত যা টেকসই অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কোভিড-১৯-এর কারণে অন্যান্য খাতের মত অনানুষ্ঠানিক খাতেও বিরুপ প্রভাব পড়েছে। এরই প্রেক্ষিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত শহর ও উপ-শহরাঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোগ পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে উদ্যোক্ততাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ঋণ সহায়তা প্রদান, দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতে নিযুক্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদেও সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নিম্ন-আয়ের পরিবারভুক্ত তরুণদের শিক্ষানবীশ কর্মসূচীর মাধ্যমে চেকসই কর্মসংস্থানে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী যেমন দলিত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, চর, হাওড়, পার্বত্য অঞ্চল, চা বাগান ও উপক’লীয় এলাকা এবং প্রতিবন্ধী তরুনদের এই প্রকল্পে অংশগ্রহণে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।