ইপেপার / প্রিন্ট
বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার কিংবা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রপতির পদে বহাল থাকার নৈতিক বৈধতা বর্তমান রাষ্ট্রপতির নেই।
বক্তব্যে তিনি রাষ্ট্রপতির অতীত ভূমিকা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, দুদকের কমিশনার থাকাকালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে জনমনে ধারণা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বিভিন্ন তদন্ত কমিশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ইস্যুতে তার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি করেছিল। কিন্তু সে সময় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তাকে বহাল রাখা হয়। এখন নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কেন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না— সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, দেশের গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক সংস্কারের স্বার্থে রাষ্ট্রপতির পদে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তার বক্তব্য সংসদে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।