আলোচিত রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের লক্ষ্যে উচ্চ আদালতে শুনানির তারিখ এগিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট-এর নজরে আনার জন্য সুপারিশ করা হবে।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত, অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচারিক কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ আদালতে শুনানির সিরিয়াল অগ্রাধিকারভিত্তিতে নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে।
তিনি বলেন, দেশের জনগণ এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। তাই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আলোচিত মামলার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামীকাল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি-তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক শুরু হবে। বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এসব সমস্যার কূটনৈতিক ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি।
মাদক ও জুয়াবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীরা যাতে আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে সহজে জামিন না পায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো গড়ে তোলা।