ইপেপার / প্রিন্ট
সিলেটের সীমান্তবর্তী পর্যটন অধ্যুষিত এলাকা ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে জুমআ নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর জামে মসজিদ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জুমআ নামাজে ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক, স্থলবন্দরে কর্মরত কয়েকশ মুসল্লী ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশগ্রহণ করেন।
জুমআ নামাজের পূর্বে মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ সরোয়ার আলম এবং ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ গিয়াস উদ্দিন। তাঁরা দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের সার্বিক পরিবেশ সংরক্ষণে স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সচেতনতা কামনা করেন। একই সঙ্গে স্থলবন্দরের অন্যান্য আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।
নবনির্মিত মসজিদের ইমাম ও খতিব হজরত মাওলানা ক্বারী আব্দুল্লাহ আল মুমিন জুমআ পূর্ব বয়ান ও খুতবা প্রদান করেন। নামাজ শেষে তিনি মসজিদের সার্বিক কল্যাণ, ব্যবসায়ী এবং বন্দরে কর্মরত সকলের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।
মসজিদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর প্রতিক্রিয়ায় ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম বলেন, “অত্যাধুনিক এ মসজিদ নির্মাণের ফলে আমরা ব্যবসায়ীরা এখন ওযু ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ সুন্দর পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারবো।এতে আমরা খুবই আনন্দিত। দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটকদের জন্যও ফরজ ইবাদত পালনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
চুনাপাথর ব্যবসায়ী মোঃ জসিমুল ইসলাম আঙ্গুর ও আক্তারুজ্জামান নোমান জানান- দৃষ্টিনন্দন ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর মসজিদে আনুষ্ঠানিকভাবে নামাজ শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী ও পর্যটক উভয়ের জন্যই ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। মসজিদের সামনে গাড়ি পার্কিং, মানসম্মত ওযুর ব্যবস্থা থাকায় পরিবেশটি অত্যন্ত মনোরম। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সাদা পাথর দেখতে আসা পর্যটক নারী মুসল্লীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করার দাবিও জানান তারা।
উল্লেখ্য, ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর বিগত দুই বছরে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে যান।