1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বৈধ কাগজ ও লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল দিচ্ছে না পাম্প - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

বৈধ কাগজ ও লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল দিচ্ছে না পাম্প

প্রতিনিধি

টানা তিন দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাইবান্ধায় দুটি ফিলিং স্টেশনে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সীমিত পরিসরে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। জেলার দুটি ফিলিং স্টেশনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া শুরু হলেও শর্তের কারণে নতুন জটিলতায় পড়েছেন অনেক চালক।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘আর রহমান ফিলিং’ স্টেশনে তেল সরবরাহ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশের উপস্থিতিতে পাম্পে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের ডিবি রোডের এসএ কাদির অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে তেল বিক্রি শুরু হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে তেল নিতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট পরা, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন এবং মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় তেল দেওয়া হচ্ছে না, বরং জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে চালকদের।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া যাবে। এতে করে একদিকে তেলের অপচয় ও মজুত বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। তেল দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে শত শত বাইকার পাম্পে ভিড় করেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই তেল পাননি। বিশেষ করে যারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনেননি, তারা পড়েছেন সবচেয়ে বেশি বিপাকে।

এ সময় এসিল্যান্ড মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সংকট নিরসনে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি গাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা করে জ্বালানি দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে চালকদের হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র থাকতে হবে। অন্যথায় তেল দেওয়া হবে না এবং তাদেরকে জরিমানার আওতায় নেওয়া হবে বলেও জানান এসিল্যান্ড।

এসএ কাদির অ্যান্ড সন্স পাম্পের ম্যানেজার মঞ্জরুল কাদির খোকন বলেন, বিকেলের দিকে ৪০০০ লিটার পেট্রোল এসেছে এবং তারপর একটি ডিজেলের গাড়িও এসেছে। তিন দিন বন্ধ থাকার পর প্রশাসনের সহায়তায় আজ এই তেল দিতে পারছি আমরা।

তবে, অপেক্ষমাণ একাধিক বাইকার জানান, হঠাৎ করে এমন নিয়ম কার্যকর হওয়ায় তারা প্রস্তুত ছিলেন না। কেউ কেউ দুপুর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত তেল না পেয়ে ফিরে গেছেন।

আরজু নামের এক যুবক বলেন, শুনেছি বিকেল ৩টায় তেল দেওয়া হবে তখন থেকেই কাদিরিয়া পাম্পে অপেক্ষায় আছি। কেবল টোকেন দেওয়া শুরু করেছে। অনেক বড় লাইন কখন পাব জানি না।

রুম্মান নামের অপর এক যুবক বলেন, হেলমেট তো আছেই। কিন্তু কাগজপত্র দেখে তেল দেওয়ার বিষয়টি জানি না। হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। বাইকে তেলও নেই।

অন্যদিকে, পাম্পে তেল না থাকলেও খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতাদের দাবি, এক লিটার তেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ জানাচ্ছেন অনেকে।

তবে, পাম্প মালিকদের দাবি, সংকটের অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত চাহিদা এবং কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতা। তারা বাইকে একাধিক পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে নিয়ে পরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এ কারণে প্রশাসনের সরাসরি তদারকি ছাড়া তেল বিক্রি করা তাদের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

এর আগে একইদিন দুপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পাম্প মালিকদের জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি পাম্পে জ্বালানি বিতরণের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ উপস্থিত থাকবে। একই সঙ্গে হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল না দেওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়।

গাইবান্ধা পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান উজ্জ্বল বলেন, তেল সংকটে জেলার সবগুলো পাম্পই বন্ধ তবে বিকেলের দিকে জেলা শহরের কাদিরিয়া পাম্পে তেল দেওয়া শুরু হয়েছে।

এছাড়া তিনি বলেন, আমার এখানে (রহমান ফিলিং স্টেশন) ঈদের আগের দিন থেকে পাম্প বন্ধ থাকার পর আজ একগাড়ি অকটেন ও ডিজেল এসেছে। রাত ৮টা থেকে বিক্রি শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত অন্যান্য পাম্প বন্ধ রয়েছে। তেল পেলে তারাও বিতরণ শুরু করবে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার বলেন, গাইবান্ধায় তেলের সংকট ও কালোবজারে বিক্রিসহ সামগ্রিক বিষয়ে আজ পাম্প মালিকপক্ষের সঙে জরুরি মিটিং করেছে জেলা প্রশাসন। সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট ডিপো ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে লিখিত উদ্যোগও নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সীমিত আকারে মোটরসাইকেলে ২০০ টাকা, পরে ১০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হলেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত এক সপ্তাহের মধ্যেই জেলার ১৭টি পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে দুই পাম্পে সরবরাহ শুরু হলেও জেলার সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। অন্যান্য পাম্পে সরবরাহ চালু না হওয়া পর্যন্ত ভোগান্তি কমার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!