1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বিলুপ্তির পথে গাইবান্ধার ‘কুরুখ’ ভাষা - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

বিলুপ্তির পথে গাইবান্ধার ‘কুরুখ’ ভাষা

প্রতিনিধি

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে যখন সারাদেশ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধায় নত, ঠিক সেই সময়ই গাইবান্ধার ওড়াও জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে শোনা যাচ্ছে মায়ের ভাষা রক্ষার আর্তনাদ। বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তারা তাদের মাতৃভাষা ‘কুরুখ’ বাঁচানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার তরফকামালপুর গ্রামে পাঁচ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছে ২৫টি ওড়াও পরিবার। হাট-বাজার, কর্মক্ষেত্র ও স্কুল-কলেজে তারা কথা বলেন বাংলা ভাষায়। কিন্তু নিজেদের ভেতরের যোগাযোগ, গান, কবিতা, গল্প এবং সংস্কৃতির শেকড় রয়ে গেছে কুরুখ ভাষায়। অথচ আজ সেই শেকড় হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকট হয়ে উঠেছে।

ওড়াও সম্প্রদায়ের ধানুচা শিল বলেন, কুরুখ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা না থাকায় কোনো লিখিত পাঠচর্চা সম্ভব নয়। ফলে নতুন প্রজন্ম ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছে তাদের ভাষা। বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনার কারণে কুরুখ চর্চার সুযোগও কমে গেছে অনেকটাই।

তিনি বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি আসে প্রতিবছর, কিন্তু আমাদের ভাষা রক্ষার উদ্যোগ কোথাও নেই। পাঠ্যপুস্তক বা আলাদা স্কুল না থাকলে একদিন পুরোপুরি হারিয়ে যাবে আমাদের কুরুখ ভাষা।

ওড়াও সম্প্রদায়ের চাঁদনী বালার অভিযোগ, মাতৃভাষা ব্যবহারের অভ্যাস প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ কুরুখ ভাষায় ঠিকমতো দু-চারটি বাক্যও বলতে পারেন না। কুরুখ ভাষার বর্ণমালা প্রণয়ন ও আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললে ভাষাটিকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান বলেন, ভাষা হারিয়ে গেলে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জাতিগত বৈচিত্র্যও নিঃশেষ হয়ে যায়। একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু বাংলা ভাষার নয়, পৃথিবীর সব মাতৃভাষার। তাই এসব নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ জরুরি।

ওড়াও সম্প্রদায়ের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সাবলু মোরাং জানান, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নিজেদের মাতৃভাষা ভুলে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র। একুশের চেতনার এই মাসে তাই তারা কুরুখ ভাষা রক্ষায় দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!