1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বাঁশখালীতে মাতৃহত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ মাস পর ছেলে-পুত্রবধূ গ্রেপ্তার, র‌্যাবের অভিযান চাঞ্চল্যকর সমাধান - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে শ্যামপুর সুগারের মূল্য বেড়েছে ৭৬৩ কোটি টাকা

বাঁশখালীতে মাতৃহত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ মাস পর ছেলে-পুত্রবধূ গ্রেপ্তার, র‌্যাবের অভিযান চাঞ্চল্যকর সমাধান

প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর মাতৃহত্যার ঘটনায় দীর্ঘ প্রায় ১০ মাসের পর **প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)**কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়। জানা গেছে, প্রবাসী পুত্রের পাঠানো মায়ের ওষুধের টাকা আত্মসাৎ ও পারিবারিক কলহ ছিল হত্যার মূল কারণ। নিহত রেহেনা বেগম (৬২) কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছের সঙ্গে বসবাস করতেন। প্রবাসী বড় ছেলে নিয়মিত ওষুধের জন্য টাকা পাঠাতেন, যা কাশেম নিজের কাজে ব্যবহার করতেন। এই বিবাদই শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী ঘটনায় রূপ নেয়।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরের মধ্যে কাশেম ও তার স্ত্রী ধারালো দা দিয়ে রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়। গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই মুক্তার আহমদ ৮ জুন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে কাশেম ও নারগিছ আত্মগোপনে চলে যায় এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে থাকত।

চট্টগ্রাম র‌্যাবের সহকারী পরিচালক এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর কক্সবাজার ইউনিটের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন লক্ষ্ম্যারচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দম্পতিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ড এবং দীর্ঘ সময় ধরে চলা ধরপাকড়ের নেপথ্য চাঞ্চল্যকর গল্প বাংলাদেশের পরিবারিক কলহ ও অপরাধমূলক ঘটনাগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!