ইপেপার / প্রিন্ট
মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। সেই ম্যাচে প্রত্যাশিত ছন্দে দেখা না যাওয়ায় কার্লো আনচেলত্তির দলের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেক সমর্থক ও বিশ্লেষক।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নেমে পুরোপুরি বদলে যাওয়া এক ব্রাজিলকে দেখল ফুটবল বিশ্ব। ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দৃষ্টিনন্দন এক গোলে বড় লিড নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আর বাড়াতে না পারলেও পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ধরে রাখে আনচেলত্তির শিষ্যরা। এই জয় শুধু তিন পয়েন্টই এনে দেয়নি, বরং সমর্থকদের মনে নতুন করে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও জাগিয়ে তুলেছে।
কারণ ইতিহাস ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে শেষ চারবার যখন ব্রাজিল কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল, প্রতিবারই তারা সেই আসরের ফাইনালে উঠেছে। ১৯৫০ সালে দুইবার, ১৯৯৮ সালে একবার এবং ২০০২ সালে একবার এমন ঘটনা ঘটেছিল।
যদিও ১৯৫০ সালে উরুগুয়ে এবং ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের কাছে ফাইনালে হেরে যায় ব্রাজিল, তবে ২০০২ সালে জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয় সেলেসাওরা।
অবশ্য শুধুমাত্র পরিসংখ্যান দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না। তারপরও হাইতির বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্স এবং ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান ব্রাজিল সমর্থকদের মনে নতুন করে ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে।