ইপেপার / প্রিন্ট
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা পানিবৃদ্ধির কারণে জেলার সবকটি ফেরিঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে সড়ক ও জনপদ (সওজ) অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘণ্টায় ঘোরাউত্রা, ধনুসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক তলিয়ে গেছে।
জানা গেছে, পানিবৃদ্ধির ফলে করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও চামড়াঘাট, মিঠামইনের শান্তিপুর, ইটনার বড়িবাড়ি ও বলদা এবং বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। এতে এসব ঘাটে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখন ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ঘোরাউত্রা ও ধনু নদী পার হয়ে জেলা শহরে যাতায়াত করছেন। এতে যাত্রীদের সময় ও ভোগান্তি দুটোই বেড়েছে।
ইটনা উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাওরের নদীগুলোর পানি বাড়ছে। ফেরিঘাটের রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় ফেরি বন্ধ হয়ে গেছে। আগে সহজেই গাড়িতে শহরে যাওয়া যেত, এখন নৌকায় করে যেতে হচ্ছে।
বাজিতপুরের লিটন মিয়া বলেন, পাটুলী ফেরিঘাট বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। মালামাল পরিবহনেও সমস্যা দেখা দিয়েছে।
কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, পানিবৃদ্ধির কারণে ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক ডুবে যাওয়ায় জেলার ছয়টি ফেরিঘাটের সবগুলোতেই ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাওরাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।