ইপেপার / প্রিন্ট
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী–৪ আসন (কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও চরমোনতাস) এলাকায় নির্বাচনী আমেজ দিন দিন বাড়ছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভায়।
এই আসনে প্রধান আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী ড. জহির উদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল কাইউম এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. রবিউল হাসান।
বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীর সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নদীভাঙন রোধ তার অগ্রাধিকার। তিনি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা জানার চেষ্টা করছেন।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা শুরু করেছেন।
খেলাফত মজলিশের প্রার্থী ড. জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে চান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল কাইউম জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগই তার নির্বাচনী অঙ্গীকার।
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. রবিউল হাসান তরুণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। তিনি বলেন, এই এলাকায় পরিবর্তন দরকার এবং নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমেই সেই পরিবর্তন সম্ভব।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে উন্নয়ন, পর্যটন খাতের সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও নদীভাঙন রোধই প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।
নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলে প্রচারণা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।