ইপেপার / প্রিন্ট
নেছারাবাদ উপজেলা সংলগ্ন স্বরূপকাঠির মাটিতে অনুষ্ঠিত হলো এক ঐতিহাসিক ও মহিমান্বিত আয়োজন—“আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশন”-এর বহুল প্রত্যাশিত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান। ইসলামের প্রচার, দাওয়াহ, দ্বীনি শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণ মূলক সেবার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে এই ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শীর্ষস্থানীয় ইসলামী ব্যক্তিত্বদের হাত ধরে।
আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দেন ফিলিপাইন, ইরান, পাকিস্তান, মিশর ও বাংলাদেশের প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন, আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদগণ। আন্তর্জাতিক ইসলামী অঙ্গনের এমন সমবেত উপস্থিতি নেছারাবাদকে পরিণত করে এক অনন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।
বিশ্ববরেণ্য আলেমদের হাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলে উপস্থিত হাজারো মানুষ আল্লাহর প্রশংসা ও তাকবিরে মুখরিত করে তোলেন সমগ্র এলাকা।ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ইসলামের জ্ঞানচর্চায় বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা
আয়োজকরা জানান, ইসলামের সঠিক শিক্ষা প্রচার,কুরআনি গবেষণা ও তাফসির চর্চা,আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ আলেম ও গবেষক তৈরি,মানবকল্যাণ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন,অসহায়, এতিম ও দরিদ্র মানুষের উন্নয়নে সেবাধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা—এসবকে কেন্দ্র করেই ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, আধুনিক লাইব্রেরি, দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মানবসেবা কেন্দ্র ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় প্ল্যাটফর্ম স্থাপন।দোয়ামাহফিল, বক্তব্য ও আবেগঘন মুহূর্তে সম্পন্ন উদ্বোধন।অনুষ্ঠানে আগত আলেম ও প্রতিনিধিগণ ইসলামি শিক্ষা ও মানবকল্যাণে ফাউন্ডেশনের অবদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাফসির, দাওয়াহ কার্যক্রম ও যুব প্রজন্মকে সঠিক ইসলামী জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন তারা।
দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ ও ফাউন্ডেশনের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ, সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢল নামান।অনেকেই জানান,এমন আন্তর্জাতিক ইসলামী ব্যক্তিত্বদের আগমনে নেছারাবাদে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হলো।
আন্তর্জাতিক ইসলামী চিন্তাবিদদের অংশগ্রহণে “আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশন”-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নেছারাবাদের জনগণের জন্য শুধু গর্ব নয়, বরং ইসলামের জ্ঞানচর্চা ও মানবসেবা অঙ্গনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা। স্থানীয় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নের শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফাউন্ডেশনটি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সবাই আশা প্রকাশ করেন।